বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ানোর আগে দুই দলই ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দিয়েছে উপভোগ্য খেলা। আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে ভরপুর ম্যাচটিতে রোমাঞ্চের কমতি ছিল না মোটেই। ম্যাচের ১১ মিনিটেই বোরহা ইগলেসিয়াসের গোলে এগিয়ে যায় বেতিস। ৩০ মিনিটে ম্যাচে সমতা আনেন উগো দুরো। এর পর থেকেই দেখা গেছে বেতিসের বলের দখলভিত্তিক আক্রমণাত্মক ফুটবল আর ভ্যালেন্সিয়ার নিখাদ প্রতি-আক্রমণের লড়াই।

স্পেনের সেভিয়া শহরের ক্লাব বেতিস। কাল ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিও তারা খেলেছে নিজেদের শহরে, লা কার্তুহা স্টেডিয়ামে। ১৭ বছরের শিরোপার খরা নিজেদের শহরের মাঠে কেটেছে বলে আনন্দটা যেন একটু বেশিই বেতিসের। ম্যাচ শেষে বেতিসের অধিনায়ক হোয়াকিন বলেছেন, ‘অনেক বছর পর আবার শিরোপা জিতেছি আমরা নিজেদের শহরে। নিজেদের সমর্থকদের সামনে শিরোপা জিততে পারাটা দারুণ এক ব্যাপার।’

default-image

১৭ বছর আগে ২০০৫ সালে ওসাসুনাকে হারিয়ে কোপা দেল রে জেতা বেতিস দলেও ছিলেন হোয়াকিন। ৪০ বছর বয়সী হোয়াকিন বেতিসের হয়ে দুটি শিরোপা জেতা প্রথম খেলোয়াড়। শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে টানা ২১ বছর খেলা হোয়াকিন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ মৌসুমই তাঁর শেষ! শেষটা শিরোপার রঙে রেঙেছে বলে আনন্দের অন্ত নেই হোয়াকিনের। হোয়াকিন ক্যারিয়ারের আর একটি শিরোপাই জিতেছেন, সেটিও কোপা দেল রে ট্রফি। মজার ব্যাপার, ১৪ বছর আগে সেবার ট্রফি নিয়ে হোয়াকিন উল্লাস করেছিলেন গতকালের প্রতিপক্ষ ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে।

আনন্দ করতে করতেই প্রতিপক্ষকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বেতিস অধিনায়ক, ‘এই শিরোপা জয় অনেক বছরের পরিশ্রমের ফল। অনেক প্রচেষ্টায় আমরা ধীরে ধীরে নিজেদের গড়ে তুলেছি। ভ্যালেন্সিয়াকে ধন্যবাদ। কারণ তারাও যদি ম্যাচটি জিতত, প্রাপ্য জয়ই পেত তারা। দুর্দান্ত একটা ম্যাচই হয়েছে।’

এবারের কোপা দেল রে নিয়ে বেতিস তাদের ১১৫ বছরের ইতিহাসে চতুর্থ শিরোপার স্বাদ পেল। ২০০৫ সালে কোপা দেল রে জয়ের আগে সেভিয়া শহরের দলটি ঘরে তুলেছে ১৯৩৫ সালের স্প্যানিশ লিগ ও ১৯৭৭ সালের কোপা দেল রে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন