বিজ্ঞাপন
default-image

রোমের স্তাদিও অলিম্পিকোতে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায় ইতালি তুরস্কের বিপক্ষে খেলতে নামছে ২৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অর্জন নিয়ে। ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বই উতরাতে না পারা ইতালির কাছে অবশ্য দেশটির ফুটবল-পাগল মানুষের প্রত্যাশা থাকবে অনেক। কিন্তু শিষ্যদের সেই প্রত্যাশার চাপে পিষ্ট হতে দিতে চান না মানচিনি। ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে ইতালির কোচ বলেছেন, ‘আমরা যা কিছুর মধ্য দিয়ে গেছি, এখন সবার মুখে হাসি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।’

default-image

ইউরোতে লক্ষ্য কী—এই প্রশ্নের উত্তরে মানচিনি বলেছেন, ‘আগামী এক মাস আমরা সবার মুখে হাসি ফিরিয়ে আনার চেষ্টাটাই করব। আমরা চাই মানুষ আমাদের খেলা উপভোগ করুক।’ তুরস্কের বিপক্ষে ইতালি যে দলটির চিরায়ত রক্ষণাত্মক ফুটবলের খোলস থেকে বেরিয়ে আসবে, মানচিনি দিলেন তেমন ইঙ্গিতই, ‘আমার বিশ্বাস, সবার জন্য পুরো ৯০ মিনিটই অসাধারণ সময় কাটবে। আমরা নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে খেলব।’

default-image

প্রতিপক্ষ তুরস্কের রক্ষণটা বেশ শক্তিশালী। এর ওপর টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটি সব দলের জন্যই একটু অন্য রকম হওয়ার কথা। এ কারণেই মানচিনি বলেছেন, ‘উদ্বোধনী ম্যাচটা সবচেয়ে কঠিন হয়। এটা যে টুর্নামেন্টের শুরু। আমাদের ভারমুক্ত থাকতে হবে এবং নিজেদের খেলাটা উপভোগ করতে হবে। আপাতত আমাদের লক্ষ্যটা এ রকমই।’

তবে তরুণ দল নিয়ে যে খুব বড় আশা তাঁর নেই সেটাও জানিয়ে রেখেছেন মানচিনি, ‘তিন বছর আগে এই দল নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। এখনো আমি দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। আমরা কঠিন পরিশ্রম করেছি। দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় আছে। টুর্নামেন্টের শেষে এসে লন্ডনে (দুই সেমিফাইনালই এখানে) থাকতে চাইব।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন