কাল নেপালকে দাপটের সঙ্গে
কাল নেপালকে দাপটের সঙ্গে Shamsul Haque Tanku

ম্যাচ শেষে পশ্চিম গ্যালারির কাছে জামাল ভূঁইয়া গেলে দর্শকেরা ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাংলাদেশ অধিনায়ক সেখান থেকে বিদায় নেন। কিন্তু ম্যাচ শেষের আধ ঘণ্টা পরও গ্যালারি থেকে ভেসে আসছিল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ... গর্জন। কিছুক্ষণ আগে পাওয়া ২-০ গোলের জয়ে দর্শকের মুগ্ধতা যেন কাটছিল-ই না। অথচ এমন জয় বাংলাদেশ কোচের কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ শেষে আগামী মাসে কাতারের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আজকের নেপাল ম্যাচের আগে জেমি বারবার বলেছিলেন, নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটিকে কাতারের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ হিসেবেই দেখছেন। তাই আজকের জয়ে আনন্দ থাকলেও এই জয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন না জেমি, ‘এটা আমার কাছে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল। কোনো খেলোয়াড় চোট পায়নি, এটা ভালো ব্যাপার। এই জয়ে ভেসে যাচ্ছি না। নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটি কঠিন হবে।’

বিজ্ঞাপন

এর পরেই বুঝিয়েছেন নেপালের বিপক্ষে জয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ নয়, ‘আমাদের সামনে আরও কঠিন ম্যাচ আছে। কাতারের মাঠে খেলতে যাব। সেখানে আরও কঠিন ম্যাচ হবে। এ জয় আমার কাছে অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

কাল ম্যাচে গোল করেছেন নাবীব নেওয়াজ ও মাহবুবুর রহমান সুফিল। দুইটি গোলই ছিল দৃষ্টিনন্দন। নাবীবের প্রথম গোলটি ভলিতে আর সুফিলের গোলটি ছিল ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং। এ নিয়ে তৃপ্ত হলেও আরও গোল না পাওয়ায় হতাশ কোচ, ‘দুটি গোলই খুব ভালো হয়েছে। দ্বিতীয় গোল ম্যাচ শেষ করে দিয়েছে। এরপর আরও কয়েকটা গোল হতে পারতাম। কিন্তু হয়নি। তবে দল জেতায় আমি খুব খুশি।’

default-image

দ্বিতীয়ার্ধে নেপালের ভালো খেলারও প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশ কোচ। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজের আগে নেপালের ৮ খেলোয়াড় করোনায় ছিটকে গিয়েছে। ম্যাচে তাঁদের অভাব দেখা গিয়েছে বলে ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন নেপাল কোচ বাল গোপাল, ‘ফিটনেসের অভাব আমাদের ভুগিয়েছে। আমাদের ৮ জন খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত। তারা থাকলে আরও ভালো করতে পারতাম আমরা।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0