বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ব্রাজিলিয়ানরা ম্যাচটি জিতেছে ৪-২ গোলে। জার্মানরা অবশ্য ভয় পাইয়ে দিয়েছিল ব্রাজিলকে। ৫৭ ও ৮৪ মিনিটে নাদিম আমিরি ও রাগনার আচের গোলে ব্যবধানটা ৩-২-এ নামিয়ে আনে জার্মানি। তবে ৬৩ মিনিট থেকে ১০ জন নিয়ে খেলা দলটি সমতা ফেরাতে পারেনি, উল্টো যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে খেয়ে বসে চতুর্থ গোল। পাওলিনিও করেন শেষ গোলটি।

দানি আলভেজ, দগলাস লুইজ, ম্যালকম ও রিচার্লিসনের মতো তারকাদের নিয়ে দল সাজানো ব্রাজিল প্রথম গোলটি পায় ৭ মিনিটে। ২২ মিনিটে ব্রুনোর ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রিচার্লিসন। ৩০ মিনিটে রিচার্লিসনের হ্যাটট্রিক গোলেও অবদান ছিল ব্রুনোর। ব্রাজিল প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারত ৪-০ গোলে। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ম্যাথুস কুনিয়া।

default-image

সাপ্পোরোয় ১৪ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে দুবারের সোনাজয়ী আর্জেন্টিনা। ২০০৮ সালের পর প্রথম অলিম্পিক ফুটবলে সুযোগ পাওয়া অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন উইঙ্গার লেচলান ওয়েলস। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ১০ জনের দল হয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলটির লেফটব্যাক ফ্রান্সসিসকো ওর্তেগা। এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি আর্জেন্টাইনরা। ৮০ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় গোলটি করেন বদলি খেলোয়াড় মার্কো টিলিও।

ফ্রান্স-মেক্সিকো ম্যাচের সব কটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। আলেক্সিস ভেগা ও ফ্রান্সিসকো কর্দোভার গোলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। এরপর আন্দ্রে-পিয়ের জিনিয়াকের গোলে ব্যবধান কমায় ফ্রান্স। তবে উরিয়েল আনতুনা ও এদুয়ার্দো আগুয়েরের গোল মেক্সিকোর জয়ে নিয়ে সব অনিশ্চয়তা দূর করে দেয়।

একনজরে ফল

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন