বিজ্ঞাপন
default-image

৩২ বছর পর প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে এফডব্লুএর বর্ষসেরা হলেন দিয়াস। ১৯৮৯ সালে বর্ষসেরা হয়েছিলেন লিভারপুল ডিফেন্ডার স্টিভ নিকোল। ভোটাভুটিতে টটেনহামের হ্যারি কেইন ও সতীর্থ কেভিন ডি ব্রুইনাকে পেছনে ফেলা দিয়াস ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ হিসেবে জিতলেন এই পুরস্কার। দিয়াসের আগে ইংলিশ ক্লাবে প্রথম মৌসুম খেলেই এর আগে বর্ষসেরা হয়েছেন টটেনহামের জার্মান তারকা ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান (১৯৯৫) ও চেলসির ইতালিয়ান তারকা জিয়ানফ্রাঙ্কো জোলা (১৯৯৭)।

default-image

গত বছরের সেপ্টেম্বরে দিয়াসকে ৬ কোটি ৫০ লাখ ইউরো খরচ করে এনেছিল সিটি। ইতিহাদকে ঠিকানা করার পর থেকেই অসাধারণ খেলছেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার। তবে এ পুরস্কার জয়ের কৃতিত্ব ভাগ করে দিয়েছেন সব সতীর্থকে, ‘এটা খুব বড় অর্জন। নিশ্চিত করেই দলের সাফল্য ছাড়া আমি এটা পেতাম না।’

ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভোট পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির ৯ জন ফুটবলার। ভোটের ৫০ শতাংশই পেয়েছেন তাঁরা। এ যেন দিয়াসের কথাকেই সমর্থন করে, ‘আমার এই পুরস্কার জয় এটাই প্রমাণ করে যে মাঠে আমরা কতটা সংগঠিত। আমরা কী রকম পারফর্ম করি আর আমাদের সব খেলোয়াড়ের মাঠে কেমন চেতনা।’
দিয়াস কেন পুরস্কারটি জিতেছেন, সেটা বলতে গিয়ে এফডব্লুএর চেয়ারম্যান ক্যারি ব্রাউন বলেছেন, ‘রুবেন দিয়াস পুরস্কারটি পেয়েছেন মাঠে ও মাঠের বাইরে তাঁর নেতৃত্ব আর রক্ষণশিল্পকে যতটা সম্ভব নিখুঁত করতে পেরেছেন বলেই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন