বিজ্ঞাপন

২০১৬ ইউরোর ফাইনালে ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল পর্তুগাল। এবার ইউরোয় ‘এফ’ গ্রুপে সেই ফ্রান্সকেই পেয়েছেন রোনালদো-ব্রুনো ফার্নান্দেজরা।

default-image

মাঝে ২০১৮ বিশ্বকাপ জিতে ফ্রান্স যেমন আরও শক্তিশালী হয়েছে, তেমনি এই গ্রুপে রয়েছে আরেক শক্তিশালী দল জার্মানিও। শক্তিতে পিছিয়ে থাকা হাঙ্গেরির মুখোমুখি হয়ে মঙ্গলবার ইউরো শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল।

এই কঠিন গ্রুপে পড়েও রোনালদোর প্রেরণায় কোনো ঘাটতি নেই, ‘অনুপ্রেরণা পাচ্ছি, সম্ভবত ২০০৪ সালের চেয়েও বেশি।’

রোনালদোর বয়সই বলছে, এটিই হয়তো তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ ইউরো। দেশকে টানা দুবার মহাদেশের সেরা দল বানানোর ইচ্ছা কার না থাকে! সেটাও যদি ক্যারিয়ারের শেষ ইউরো রাঙিয়ে পাওয়া যায়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা!

default-image

রোনালদো জানালেন, এ প্রত্যাশা পূরণে তাঁর দল যথেষ্ট উদ্দীপনা নিয়েই পা রাখবে ইউরোয়, ‘পর্তুগিজ সমর্থকেরা সব সময় এই প্রত্যাশা রাখতে পারেন, আমাদের দলে উচ্চাশা ও অনুপ্রেরণার কোনো ঘাটতি নেই। সবকিছু যেন ঠিকঠাক হয়, সে জন্য ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রেখেছি আমরা। দল ও সব পর্তুগিজ সমর্থকদের এই বিশ্বাস রাখতে হবে।’

ইসরায়েলের বিপক্ষে পর্তুগালের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচেও গোল পেয়েছেন রোনালদো। সিরি ‘আ’ তে সর্বশেষ মৌসুমে জুভেন্টাস চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে তাঁকে। ইরানের আলী দাইয়ির গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙতে আর ৬ গোল চাই তাঁর।

এই বয়সে তাঁর এমন পারফরম্যান্স পর্তুগালের শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে প্রেরণা তো বটেই। রোনালদো বলেন, ‘অধিনায়ক (তিনি নিজে) ভালো আছেন। কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের নিয়ে ভালো খেলার চেষ্টা করছি। এখন এটাতেই আমাদের মনোযোগ। প্রস্তুতি নেওয়া মোটামুটি শেষ। দু-একটি জায়গায় একটু ঘষামাজা করতে হবে। হাঙ্গেরিকে হারিয়ে পর্তুগালের শুভসূচনায় তাকিয়ে আছি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন