বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বার্সেলোনার সিদ্ধান্ত কত বড় ভুল ছিল, এ সপ্তাহের শুরুতেই সেটা আবার দেখিয়ে দিয়েছেন সুয়ারেজ। বার্সেলোনাকে ঘরের মাঠে হারিয়েছে আতলেতিকো। ২-০ গোলের সে জয়ে একটি গোল করেছেন সুয়ারেজ, থমাস লেমারকে দিয়ে করিয়েছেন অন্যটি। ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে জানা এমন এক ফুটবলারকেই দলের দায়িত্ব পেয়ে বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছিলেন কোমান!

কোমান যদিও বলেছিলেন, সুয়ারেজকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ক্লাবই নিয়েছে। তিনি শুধু এর বিপক্ষে যাওয়ার কোনো কারণ দেখেননি। কিন্তু সুয়ারেজ যে তেমন ভাবেন না, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। বার্সেলোনাভিত্তিক সাংবাদিক জেরার্ড রোমেরোর টুইচ চ্যানেলে (সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারের মাধ্যম) এসে বলেছেন, ‘আমি যে তাঁর পরিকল্পনায় নেই, সেটা জানাতে আমাকে ফোন করেছিলেন কোমান। আর সে ফোন কলের দৈর্ঘ্য ছিল ৪০ সেকেন্ড। একজন কিংবদন্তিকে এভাবে বিদায় বলা যায় না।’

এমনিতেই সরাসরি মুখে না বলে একজন খেলোয়াড়কে ক্লাব ছাড়ার খবর জানানোটাই অসম্মানের। আর সে ফোন কলের ব্যাপ্তি যদি মাত্র ৪০ সেকেন্ডের হয়, সেটা রাগ জন্মাতে বাধ্য। কোমানের সে আচরণে কতটা ক্ষুব্ধ, সেটা সপ্তাহের শুরুর ম্যাচে দেখিয়েছেন সুয়ারেজ। গোলের পরই সেটা উদ্‌যাপন করার সময় ফোনে কথা বলার ভঙ্গি দেখিয়েছেন। যদিও ম্যাচ শেষে সুয়ারেজ বলেছেন, উদ্‌যাপনের সঙ্গে কোমানের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু রোমেরোর সঙ্গে কথোপকথন শুনলে অন্য কিছু ভাবতে পারেন অনেকে।

default-image

‘আমাকে প্রথমে বললেন, তাঁর ভাবনায় নেই আমি। এরপর আবার আমাকে বললেন, এর মধ্যে চুক্তির ঝামেলা না মিটলে ভিয়ারিয়াল ম্যাচে খেলব আমি। আমাকে নিজে চাচ্ছেন না, নাকি ক্লাবই আমাকে দলে চায় না, এটা সরাসরি বলার ব্যক্তিত্বই নেই তাঁর’—এখনো তাঁর কণ্ঠে ক্ষোভ।

সে সময়টা চাইলেও ভুলতে পারছেন না সুয়ারেজ, ‘আমার জন্য খুব কঠিন ছিল সময়টা। কারণ, ক্লাবের জন্য আমি সর্বস্ব দিয়েছে। সে ফোন কলের (কোমানের) পর আমি সোফিয়া (তাঁর স্ত্রী) ও লিওর সঙ্গে কথা বলেছি। সবকিছু মিলিয়েই কঠিন এক বছর ছিল। মেসি চলে যেতে চেয়েছিল আর আমাকে বের করে দেওয়া হলো। দুই পরিবারই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন