বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইএসপিএন ব্রাজিলের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রোনালদো। দুই দশক পেশাদার ফুটবলে কাটিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে দীর্ঘস্থায়িত্ব শীর্ষস্থানের ফুটবলে ভালো করা চালিয়ে যাওয়া যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে আমার ক্ষেত্রে, সেটা দেখাতে পেরে আমি খুবই খুশি। শারীরিক দিক থেকে নিজেকে ৩০ বছরের মনে হয় আমার। আমি নিজের শরীর ও মনের খুব যত্ন নিই। ৩৩ বছরে এসে শিখেছি, আপনি চাইলে আপনার শরীর সেটিতে সায় দেবে, কিন্তু মূল যুদ্ধটা মনের সঙ্গে।’

default-image

২০১৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে গিয়েছিলেন রোনালদো। সে সময় ৩৪ বছর বয়সী রোনালদোর ফিটনেস দেখে মুগ্ধ হয়েছিল জুভেন্টাসের চিকিৎসক দল। তাদের মনে হয়েছিল, রোনালদোর ফিটনেস বিশের ঘরে থাকা ফুটবলারের মতো। ফিটনেস সচেতন বলেই এখনো শীর্ষ পর্যায়ে নিজের সেরাটা দিতে পারেন রোনালদো।

তাঁর ধারণা, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারাটাই মূল, ‘যখন অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে যাবেন, তখন শীর্ষ মানে থাকার লক্ষ্যে স্থির থাকাটাই কঠিন কাজ। আর গত কয়েক বছরে সেটিই করছি। আমি এখন এমন মানসিকতা নিয়েই কাজ করছি, সেখানেই মনোযোগ দিচ্ছি। আমি জানি, আমার শরীর ভালোমতোই এটা সামাল দেবে কারণ, আমি শরীরকে শ্রদ্ধা করি এবং শরীর কী বলছে, সেটার গুরুত্ব দিই।’

default-image

এ কারণে চল্লিশের পরও খেলতে চান রোনালদো। শীর্ষ পর্যায়ে একজন স্ট্রাইকারের জন্য কাজটা কঠিন মনে হলেও সিরি ‘আ’তে ইব্রাহিমোভিচ সেটিই করে দেখাচ্ছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও ৪০ বছর বয়সে খেলেছেন টেডি শেরিংহাম। ক্লাবের পূর্বসূরির পথে হাঁটার ব্যাপারে রোনালদোকে আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে, ‘জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত থাকা জরুরি, সেটি ভালো হোক বা খারাপ। যখন আপনি মাটিতে পড়ে যাবেন, তখন আবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি থাকতে হবে। আমি খুশি, আমি এখানে থাকতে চাই এবং দেখতে চাই কী হয়। আমি দেখতে চাই, আমি ৪০, ৪১ বা ৪২ বছরেও খেলতে পারি কি না। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এখন দিনের লক্ষ্য হলো মুহূর্তটা উপভোগ করা।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন