বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যানচেস্টার সিটিতে যাওয়ার পর রক্ষণেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ঢেলেছেন গার্দিওলা। সব মিলিয়ে ৫০ কোটি ৯১ লাখ ইউরো বা ৫ হাজার ৫৭ কোটি টাকা খরচ করেছেন দলের রক্ষণ দুর্বলতা ঢাকতে। রক্ষণের পেছনে তাঁর যত খরচ, অনেক দেশই তাদের নিরাপত্তা বাজেটে এত খরচ করে না। তবে বহু চেয়েও বোনুচ্চিকে পাননি গার্দিওলা। ম্যানচেস্টার সিটি অনেকবারই চেষ্টা চালিয়েছে বোনুচ্চিকে পেতে। এই ডিফেন্ডারেরও অনেক স্বপ্ন ছিল গার্দিওলার অধীনে খেলার। কিন্তু দুই পক্ষের এত আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কারও স্বপ্নপূরণ হয়নি।

দ্য অ্যাথলেটিকের সঙ্গে কথোপকথনে বোনুচ্চি বলেছেন, ‘পেপের কোচিংয়ে খেলার স্বপ্ন ছিল আমার। ২০১৬ সালে প্রায় হয়েই গিয়েছিল। আমি সিটিতে যোগ প্রায় দিয়েই ফেলেছিলাম। চুক্তির একদম খুঁটিনাটি ঠিক করছিলাম, কিন্তু জুভেন্টাস বিক্রি করতে রাজি হলো না। আমি থেকে গেলাম।’

এরপর কিন্তু ঠিকই দলবদল করেছেন বোনুচ্চি। ২০১৭ সালেই তুরিন থেকে মিলানে গেছেন। সে দলবদল নিয়ে এখনো প্রশ্ন তোলা হয়, ‘এরপর আমি এসি মিলানে গেলাম। আমি সিটিতে যেতে পারতাম, কিন্তু সেটা হতে হলে অনেক কিছুই খাপে খাপে মিলতে হতো। আর আমি এসি মিলানকে কথাও দিয়ে ফেলেছিলাম।’

default-image

সে সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত হয়নি। এক মৌসুম কাটিয়েই তাই আবার জুভেন্টাসে ফিরেছেন। কিন্তু পেপ গার্দিওলা তাঁকে ভোলেননি। সিটিতে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু এসি মিলানে যাওয়ার প্রায়শ্চিত্ত করাতেই বেশি আগ্রহী বোনুচ্চি, ‘গত বছর আবার পেপের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাকে আবার চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি বলেছি, “জুভেন্টাস আমার ঘর, আমি এখানেই সুখে আছি এবং এখানে থাকলে মনে হয় ঘরে আছি।” এসি মিলানে এক মৌসুম থাকায় যে ক্ষতি হয়েছে, সেটা পুষিয়ে নিতে চাই। আবারও জুভেন্টাসের স্মারক হয়ে উঠতে পারাটাই এখন আমার ক্যারিয়ারের জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর কিছু।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন