বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্বের অন্যতম ফিট খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও বহু বছর ধরে এই চেম্বার ব্যবহার করে আসছেন। সদ্যই জুভেন্টাস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়া এই পর্তুগিজ তারকার হাত ধরে এই চেম্বারও চলে এসেছে ইংল্যান্ডে।


২০১৩ সালে যখন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলতেন, তখন থেকে এই চেম্বারটি ব্যবহার করা শুরু করেন রোনালদো। রিয়াল থেকে জুভেন্টাসে যখন গেছেন, চেম্বারটিকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। এবারও তাই।

default-image

প্রিমিয়ার লিগে প্রতি সপ্তাহে খেলার যে খাটুনি, যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যে চাপ—তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য সুস্থ থাকতে হবে প্রতিনিয়ত।

রোনালদো জানেন সেটা। জানেন বলেই ক্রাইওথেরাপি চেম্বারটিকে উড়িয়ে এনেছেন ইতালির তুরিন থেকে। ৩৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার এসেই প্রিমিয়ার লিগে সেপ্টেম্বর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন, চেম্বারটি যে তাঁকে ভালোই সাহায্য করছে, এটা বলা যায়। গত মাসে প্রিমিয়ার লিগে তিন ম্যাচ খেলে তিন গোল করেছেন রোনালদো।

শরীরের টিস্যুগুলোর সঠিক পরিচর্যা করার জন্য এই চেম্বার ব্যবহার করা হয়। ক্রাইওথেরাপি চেম্বারের মধ্যে তাপমাত্রা থাকে -১৬০ ডিগ্রি থেকে -২০০ ডিগ্রি। সে অবস্থায় চেম্বারের মধ্যে ঢুকে নিয়মিত তিন মিনিট কাটান রোনালদো।

এরপর চেম্বারের বাতাসের মধ্যে তরল নাইট্রোজেন পাম্প করা হয়, যা রোনালদোর শরীরকে আরও বেশি শীতল করে। তবে এই চেম্বারের মধ্যে পাঁচ মিনিটের বেশি থাকা যায় না। থাকলে শরীরের সমূহ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন