বিজ্ঞাপন

তেরসেরা দিভিসিওন এত দিন ছিল স্প্যানিশ ফুটবলের চতুর্থ স্তর। বার্সা-রিয়াল যে লিগে খেলে লা লিগা, তার নিচে সেগুন্দা দিভিসিওন—এ দুটি ছিল পেশাদার ক্লাবগুলোর বিভাগ। এর নিচে সেগুন্দা দিভিসিওন ‘বি’ ছিল আধা পেশাদারদের লিগ। সেটির নিচেই তেরসেরা দিভিসিওন। ১৮টি আঞ্চলিক গ্রুপে বিভক্ত অপেশাদারদের এই লিগে খেলে ৩৬০টি দল।

এত দিন ছিল বলতে হচ্ছে, কারণ ২০২১-২২ মৌসুম থেকে তেরসেরা দিভিসিওন হয়ে যাবে পঞ্চম বিভাগ, নাম হয়ে যাবে তেরসেরা দিভিসিওন আরএফইএফ। কারণ, স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) সেই মৌসুম থেকে সেগুন্দা দিভিসিওন (দ্বিতীয় বিভাগ) ও সেগুন্দা দিভিসিওন ‘বি’-র (আধা পেশাদারদের নিয়ে গড়া তৃতীয় বিভাগ) মধ্যে ‘প্রিমেরা দিভিসিওন আরএফইএফ’ নামে তৃতীয় একটি বিভাগ চালু করবে। সেটিও হবে পেশাদার ক্লাব নিয়ে গঠিত বিভাগ। সে ক্ষেত্রে সেগুন্দা ‘বি’ হয়ে যাবে চতুর্থ বিভাগ, আর তেরসেরা পঞ্চম।

তা যা-ই হোক, সেই তেরসেরা বিভাগই এবার আলোচনায় কোচের এই অবিশ্বাস্য রকম নিষেধাজ্ঞার কারণে। এই মাসের শুরুর দিকে ঘটেছে ঘটনাটা। ৭ ফেব্রুয়ারি সিডিই অপা-মেন্তেমা বোয়াদিয়া-ফেরভিম ক্লাবের মাঠে যায় ইউভেন্তুদ বি। ম্যাচে উপস্থিত দামাসোচিকি নামের একজন টুইট করেন, ‘১৭ বছর বয়সী রেফারির ওপর কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের প্রতি আমার ঘৃণা সব সময়ের মতোই আরেকবার জানাচ্ছি। রেফারি ও তাঁর সহকর্মীদের জানাচ্ছি সমবেদনা।’

এরপরই নিষিদ্ধ হওয়া কোচের নাম-ঠিকানা ও অপরাধের ধরন প্রকাশ করেন দামাসোকিচি, ‘ফুটবলে সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। তাঁর নাম গনসালা বারাহোনা মার্তিন, ওই ম্যাচের অতিথি দলের কোচ। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়া, রেফারিকে আক্রমণ, ভয় দেখানো, ধাক্কা দেওয়া ও আঘাত করার কারণে তাঁকে ৭৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন