বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গ্রুপ ‘ডি’তে ৭ ম্যাচ থেকে ১৫ পয়েন্ট এখন ফ্রান্সের। গতকাল বসনিয়াকে ৩-১ গোলে হারানো ফিনল্যান্ডের পয়েন্ট ১১। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সকে হারালেও তাই লাভ হচ্ছে না ফিনল্যান্ডের।

৬ মিনিটেই গোলের দেখা পেয়েছেন এমবাপ্পে। ১২ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেছেন। দলের অন্য কেউ গোলের দেখা পাওয়ার আগেই হ্যাটট্রিকও হয়ে গেছে ৩২ মিনিটে। ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে ডমিনিক রচেতুর পর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ফ্রান্সের হয়ে এই প্রথম কেউ হ্যাটট্রিক করেছেন। ৩-০ গোলে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করা ফ্রান্স দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে আরও ৫ গোল।

default-image

৪ মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করে ৬০ মিনিটের মধ্যেই ফ্রান্সকে ৫-০ গোলের অগ্রগামিতা এনে দিয়েছেন বেনজেমা। ফ্রান্সের আক্রমণের ত্রয়ীর অন্যজন গোল উৎসবে যোগ দিয়েছেন ৮৪ মিনিটে। পেনাল্টি থেকে তাঁর সে গোলের আগেই ব্যবধান আরেকবার বাড়িয়েছেন আদ্রিয়াঁ রাবিও। ৮৭ মিনিটেই আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে। দলের অষ্টম ও নিজের চতুর্থ গোল করেছেন এমবাপ্পে।

default-image

১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ৪ গোল করেছিলেন গোল মেশিন জাঁ ফন্টেইন। ফ্রান্সের হয়ে এরপর আর কোনো ফরোয়ার্ড এ কীর্তি গড়তে পারেননি। ৬৩ বছর পুরোনো এক রেকর্ড ছুঁতে পেরে উচ্ছ্বসিত এমবাপ্পে, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিশ্বকাপে যাওয়া। সেই সঙ্গে এই দলে অনেকেই বিশ্বকাপ খেলেননি। যাঁরা খেলেছেন, তাঁদের জন্যও দ্বিতীয়বার খেলা স্বপ্নের ব্যাপার। আজ সমর্থকেরা সবাই মজা পেয়েছে অনেক। আমরাও পেয়েছি। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে সম্মান দিয়েছি এবং এটাই এত বড় ফল এনে দিয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন