বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তারওপর এটি ডার্বি! সব মিলিয়ে উত্তেজনা চরমে ছিল, কিন্তু ম্যাচে ছড়ি ঘোরালেন কেইনরাই। শুরু থেকেই আর্সেনালের বক্সের সামনে উঠে প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিতে ঝাঁপিয়েছেন কেইন-সনরা, তার ফলও এসেছে শুরুতেই। প্রথমার্ধ শেষ হতেই আর্সেনাল দশজনের দল, ২-০ গোলেও পিছিয়ে!

২২ মিনিটে বক্সে সনকে ফাউল করেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার সেদরিক, পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল কেইনের। ম্যাচটা আর্সেনালের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে যায় ৩৩ মিনিটেই। সাত মিনিট আগে সনকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখা আর্সেনাল ফিফেন্ডার রব হোল্ডিং ৩৩ মিনিটে আবার অবৈধভাবে আটকে দিলেন গোলের দিকে ছুটতে থাকা সনকে। ফল? দুই হলুদ কার্ডে লাল কার্ড!

default-image

এর চার মিনিট পরই টটেনহামের দ্বিতীয় গোল। সনের কর্নারে মাথা ছোঁয়ান রদ্রিগো বেনতাঙ্কুর, বল যায় কেইনের কাছে। ঝাঁপিয়ে পড়ে হেডে বল জালে পাঠান ইংলিশ স্ট্রাইকার।

বিরতির পর ফিরে আসবে কি, উল্টো ৪৭ মিনিটেই গোল খেল আর্সেনাল। এবার গোল সনের। আর্সেনাল বক্সে কেইনকে ট্যাকল করলে ভিড়ের মধ্যে বল এসে পড়ে সনের কাছে, মৌসুমে ২১তম গোলটি করতে কষ্ট হলো না সনের। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে লিভারপুল ফরোয়ার্ড মো সালাহর (২২ গোল) ঘাড়ে তপ্ত নিশ্বাস কোরিয়ান ফরোয়ার্ডের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন