default-image

করোনার বিরতি কাটিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ আবার মাঠে ফিরেছে ১৭ মে। ১৭ থেকে ৩০ মে—এই ১৩ দিনে বুন্দেসলিগায় খেলেছে চারটি ম্যাচ। এক সপ্তাহ পর গত শনিবার খেলেছে আরও একটি ম্যাচ। গতকাল আবার তারা মাঠে নেমেছিল জার্মান কাপের সেমিফাইনাল খেলতে। এভাবে ম্যাচের পর ম্যাচ খেলতে খেলতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন ফুটবলাররা।

জার্মান কাপের সেমিফাইনালের ম্যাচে আইনট্রাখটের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে টমাস মুলার-রবার্ত লেভানডফস্কিদের পা যেন আর চলছিল না। তবে ‌‘শরীর না চলা’ এই ম্যাচেও গোল পেয়েছেন লেভা, অ্যাসিস্ট করেছেন মুলার। সব মিলিয়ে ম্যাচটি ২-১ জিতেছে বায়ার্ন। ম্যাচটি জেতার পথে নিজেদেরই একটি পুরোনো রেকর্ড স্পর্শ করেছে দলটি।


রেকর্ডটি গোলের। কালকের দুটি গোল নিয়ে এ মৌসুমে বায়ার্নের মোট গোলের সংখ্যা ১২৯। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই গোল তারা করেছে মাত্র ৪৩ ম্যাচে! টানা তৃতীয়বারের মতো জার্মান কাপের ফাইনালে ওঠার পথে তারা স্পর্শ করেছে ৪৭ বছরের একটি পুরোনো রেকর্ড। ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে ক্লাবটি তাদের নিজিদের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ১২৯টি গোল করেছিল।


এবার ১২৯ গোলের মধ্যে ৯০টি তারা করেছে বুন্দেসলিগায়, তাও আবার মাত্র ৩০ রাউন্ড শেষে। দলের তো বটেই, ৩০ গোল নিয়ে এখন পর্যন্ত লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা বায়ার্নের পোলিশ স্ট্রাইকার লেভানডফস্কি। কাল কাপের সেমিফাইনালের জয়সূচক গোলটিও তিনিই করেছেন। ইভান পেরিসিচের গোলে ১৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়া বায়ার্নের জালে আইনট্রাখট দেয় ৬৯ মিনিটে। তবে লেভার ৭৪ মিনিটের গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।


ম্যাট শেষে মুলার রেকর্ড নিয়ে কথা বলে বললেন ক্লান্তির বিষয়ে, ‌‘আমরা ক্লান্ত ছিলাম। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে।’ শুধু কি বায়ার্নের খেলোয়াড়েরাই ক্লান্ত ছিলেন, আইনট্রাখটেরও একই অবস্থা। দলটি আবার বুন্দেসলিগায় ফিরেছে ১৬ মে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত খেলতে হয়েছে ৭টি ম্যাচ (বুন্দেসলিগায় ৬টি)। মুলার অবশ্য সেটি বলতেও ভোলেননি, ‌‘প্রথমার্ধে ফ্রাঙ্কফুর্টের খেলোয়াড়দের অনেক ক্লান্ত লাগছিল।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0