বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

উগান্ডার ক্রীড়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটা পদ্ধতির কারণে এবারের গেমসে আর অংশ নেওয়া হতো না সেকিতোলিকোর। ইজুমিসানো শহরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘আয়োজক শহর হিসেবে উগান্ডা দলকে গ্রহণ করেছিলাম আমরা। সে দলের এক সদস্য হারিয়ে গেছেন এবং তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে খুঁজে পাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে শহর কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারটা আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সেকিতোলিকোকে সর্বশেষ আরেক অ্যাথলেট দেখেছিলেন। মধ্যরাতের একটু পর হোটেলেই ছিলেন সেকিতোলিকো। পরদিন দুপুরে নির্ধারিত পিসিআর টেস্টের সময় তাঁকে খুঁজে না পেয়েই প্রথমে সতর্ক হয় কর্তৃপক্ষ।

default-image

উগান্ডা ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সভাপতি সালিম মুসোকে সেনকুঙ্গো জানিয়েছেন, প্রথমবারের মতো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার আশায় থাকা সেকিতোলিকো ‘বেশ কঠোর পরিশ্রম’ করছিলেন। কিন্তু এই সপ্তাহে জানা গেছে অলিম্পিকে আর অংশ নেওয়া হচ্ছে তাঁর এবং তাঁকে বাড়ি ফিরতে হবে।

এএফপিকে সেনকুঙ্গো বলেছেন, ‘কেউ যদি জাপানে থাকে এবং মনে করে সে অংশ নিচ্ছে কিন্তু তারপর দুঃসংবাদ শুনতে পায়, তাহলে মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সে সচ্ছল কোনো পরিবারে বড় হয়নি। ফলে সাফল্য পেতে অনেক আগ্রহ ও শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে।’ মাত্র ২০ বছর বয়সেই আফ্রিকা ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সেকিতোলিকো।

default-image

শহরের এক কর্মকর্তার বরাতে কিছু সংবাদমাধ্যম বলছে হোটেল রুমে সেকিতোলিকোর একটি চিরকুট রেখে গেছেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘ আমি জাপানে থাকতে চাই কারণ উগান্ডার জীবন অনেক কষ্টের।’

এএফপি জানিয়েছে, কুমাতোরি স্টেশনে একটি ট্রেনে উঠেছিলেন সেকিতোলিকো। পরে সেটা বদলে বুলেট ট্রেনে ওঠেন। পরে নাগোয়ার কাছে ট্রেন থেকে নেমে গেছেন এই ভারোত্তোলক।

উগান্ডার অলিম্পিক কমিটির সভাপতি ডোনাল্ড রুকারে জানিয়েছেন, ‘আমরা এখনো বোঝার চেষ্টা করছি কী ঘটেছে। আমরা ওসাকায় থাকা দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’ গত মাসেই জাপানে পৌঁছেছে উগান্ডার অলিম্পিক দল। অলিম্পিকের আগে ওসাকা অঞ্চলের ইজুমিসানো শহরে অনুশীলন ক্যাম্প করছে দেশটি। কিন্তু ওসাকাতে যাওয়ার পরই এক কোচ করোনা পজিটিভ হন। এরপরই দলের অন্য সদস্যদের আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়। এরপর আরও একজন করোনায় আক্রান্ত হন।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন