বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দেশের দ্রুততম মানব ও মানবী বা এঁদের মধ্যে থেকে একজন অলিম্পিকে যাবেন—এটা বাংলাদেশের রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে গতির ঝড় তুলে সে রীতি ভেঙে দিয়েছেন জহির। তাঁর সৌজন্যেই দীর্ঘ ২৯ বছর পর অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ইভেন্টে দৌড়াবেন বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেট।

৪০০ মিটার ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে ১৯৮৮ সালে সিউল অলিম্পিকে মিলজার হোসেন ও ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা অলিম্পিকে মোহাম্মদ মেহেদি হাসান অংশ নিয়েছিলেন।

২৬ জুলাই টোকিওর উদ্দেশে রওনা হবেন জহির। ১ আগস্ট নামবেন ট্রাকে। হাতে সময় খুব অল্প। তাই আজ ঈদের দিনেও নেমে পড়েছেন ট্র্যাকে।

default-image

বিকেএসপিতে কোচ আবদুল্লাহ হেল কাফির অধীনে অলিম্পিকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জহির। সেখান থেকে প্রথম আলোকে জহির বলেন, ‘অলিম্পিকে আমার ইভেন্টের আর তেমন সময় নেই। তাই প্রতিদিনের মতো ঈদের দিনেও অনুশীলন করলাম। ঈদ বলে আজ বিশ্রাম নিলে ক্ষতি হয়ে যেত।’ ক্যাম্পে জহিরের জন্য ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অলিম্পিক মানেই বাংলাদেশের অ্যাথলেটদের জন্য শুধুই অংশগ্রহণ আর অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্র। পদকের সম্ভাবনা তো দূর, এখনো পদকের আশাও কেউ সেভাবে দেখেন না। বাস্তবতা বলতে জহির যে কোনো চমক দেখাবেন, সে আশা এখনো কেউ করছে না।

default-image

জহিরের নিজের আশা শুধু নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়া, ‘বিশ্ব অ্যাথলেটিকস র‍্যাঙ্কিংয়ে আমাদের অবস্থান খুবই নিচের দিকে। আমার প্রত্যাশা ভালো কিছু করে র‍্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি। নিজের সেরা টাইমিংটা ছাড়িয়ে যেতে চাই অলিম্পিকে। সেভাবেই তৈরি হচ্ছি।’

২০১৭ সালে নাইরোবিতে যুব বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ৪০০ মিটার স্প্রিন্টের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়ে নিজের আগমনী বার্তা জানিয়ে দেন জহির। এরপর ২০১৯ সালে ৪০০ মিটারে ৪৬.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভাঙেন কৃতি স্প্রিন্টার গোলাম আম্বিয়ার রেকর্ড। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই জহিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে অলিম্পিকের জন্য।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন