বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমনিতেই টোকিওতে জরুরি অবস্থা চলছে। এর মধ্যেও অলিম্পিক আয়োজন করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন টোকিওবাসীরা। গতকালও এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে। অলিম্পিক বাতিলের জন্য আয়োজক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন।

ওদিকে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি টমাস বাখ এ অবস্থায় জাপানের মানুষদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন কাল। বলেছিলেন, গেমস নিয়ে যে ‘সমালোচনা হচ্ছে এবং বিতৃষ্ণা দেখা দিয়েছে’, সেটা জানা আছে তাঁর। কিন্তু এ পরিস্থিতিতেই অ্যাথলেটদের আরও বেশি সমর্থন দরকার।

বাখের এ আহ্বানে খুব একটা সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে নতুন করে তিনজনের ভিলেজেই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর অলিম্পিক নিরাপদে শেষ করার প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

অলিম্পিকের মুখপাত্র মাসা তাকায়া বলেছেন, ‘আক্রান্ত তিনজনই একই দেশ ও খেলার। তাঁদের যার যার রুমে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।’ রুমে খাবার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাকায়া। আরও জানিয়েছেন, ‘দলের বাকিদেরও পরীক্ষা করা হয়েছে।’ তাঁদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির নাম জানানো হয়নি।

default-image

তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আক্রান্ত তিনজন তাদের দলের বলে জানিয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে দলের ম্যানেজার এমসোলিসি সিবাম বলেছেন, ‘আমাদের ক্যাম্পে তিনজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দুজন খেলোয়াড় ও একজন কর্মকর্তা।’

আগামী শনিবার অলিম্পিকের ছেলেদের ফুটবলে জাপানের বিপক্ষে খেলতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে থাবিসো মনিয়ানে ও কামোহেলো মাহলাতসির আক্রান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই সঙ্গে দলের ভিডিও বিশ্লেষক মারিও মাশাও কাল আক্রান্ত হয়েছেন।

ওদিকে কাল করোনায় আক্রান্ত আয়োজক কমিটির সদস্যের নাম জানা গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য রিও সিউং-মেন আপাতত আইসোলেশনে আছেন। এ নিয়ে অলিম্পিকের সঙ্গে জড়িত ৫৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর এল। তাঁদের মধ্যে চারজন অ্যাথলেট।

default-image

অলিম্পিক ভিলেজে ৬ হাজার ৭০০ অ্যাথলেট ও কর্মকর্তার থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অ্যাথলেটদের নিরাপদে রাখতে অনেক খেলাই হবে শূন্য গ্যালারিতে। বিদেশি দর্শক না থাকার সিদ্ধান্ত আগেই জানানো হয়েছে। যে কয়েকটি ভেন্যুতে দর্শক থাকবেন, সেগুলোতে ধারণক্ষমতার অনেক কম মানুষ ঢুকতে পারবেন। ভিলেজে অ্যাথলেটদের সবচেয়ে নিরাপদ রাখার ঘোষণা দিয়ে রাখা হয়েছে।

গেমসের নির্বাহী পরিচালক ক্রিস্টোফ ডুবি বলেছেন, ঝুঁকি কমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছেন তাঁরা, ‘সবার মধ্যে মেলামেশা ও দেখাসাক্ষাৎ খুব কমিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা ঝুঁকি একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখছি। ভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সংক্রমণ একেবারে অসম্ভব।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন