আরও দুটি ইভেন্ট থেকে নাম কাটিয়ে নিয়েছেন বাইলস

বাইলসছবি: রয়টার্স

একে তো করোনার কারণে খাঁ খাঁ গ্যালারিতে হচ্ছে অলিম্পিক। এর ওপর আবার টোকিও অলিম্পিকে এবার তারকার অভাব। উসাইন বোল্ট ও মাইকেল ফেল্‌প্‌সের মতো কেউ নেই। ফুটবলেও নেই কোনো বড় তারকা। এর মধ্যেও যে কজনের নাম সবার চেনা, সিমোন বাইলস তাঁদের একজন। সেই বাইলসই কিনা একের পর এক পদক জেতার সম্ভাবনাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছেন।

রিও অলিম্পিকে চারটি সোনাসহ পাঁচটি পদক জিতেছিলেন সিমোন বাইলস। কিন্তু এবার মেয়েদের দলগত ইভেন্টে ভল্টে অংশ নেওয়ার পরই প্রতিযোগিতা থেকে সরে গিয়েছিলেন। এরপর অল অ্যারাউন্ডের ফাইনাল থেকেও নাম কাটিয়ে নিয়েছেন বাইলস। আজ বাইলস জানিয়ে দিয়েছেন ভল্ট ও আন ইভেনবারের ফাইনালেও দেখা যাবে না তাঁকে।

মাত্র ২৪ বছর বয়সী বাইলস যুক্তরাষ্ট্র জিমন্যাস্টিকস দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেটা যোগ্যতাবলেই। গতবার চারটি সোনা জিতেছেন, এবারও একমাত্র জিমন্যাস্ট হিসেবে প্রতিটি ব্যক্তিগত ইভেন্টের ফাইনালে উঠেছেন, সেই অ্যাথলেটই কিনা এখন মানসিক অবসাদে ভুগে একের পর এক ইভেন্ট থেকে নাম কাটিয়ে নিচ্ছেন।

আন ইভেন বারে বাইলস
ছবি: রয়টার্স

দলগত ইভেন্টে প্রথম চক্রে নিজের পছন্দের ভল্ট ইভেন্টেই বাইলসের সমস্যা ধরা পড়ে। যেখানে নিয়মিত ২.৫ রোটেশন করেন, সেখানে ১.৫ রোটেট করেই ল্যান্ড করেছিলেন বাইলস। এরপর ম্যাট ছেড়ে চলে যান। তখন বলা হয়েছিল, কোথাও চোট পেয়েছেন, সে কারণেই চলে গেছেন। একটু পর জানানো হয়, মেডিকেল কারণেই ফাইনাল থেকে নাম কাটিয়ে নিয়েছেন বাইলস। সেদিন ফাইনালে হেরে রুপা জেতে যুক্তরাষ্ট্র।

বাইলস
ছবি: রয়টার্স

বৃহস্পতিবার অল অ্যারাউন্ডের ফাইনাল থেকেও সরে গিয়েছিলেন বাইলস। তত দিনে অবশ্য তিনি যে মানসিক অবসাদে ভুগছেন, সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সবার সহানুভূতিই জুটেছে তাঁর। এবং খুব দ্রুত এ অবস্থা কাটিয়ে ফিরে আসবেন, সে প্রত্যাশাও ছিল। কিন্তু আগামীকালের ভল্ট ও আন ইভেন বারের ফাইনালেও থাকছেন না সিমোন। আজ যুক্তরাষ্ট্র জিমন্যাস্টিকস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চিকিৎসক দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সিমোন বাইলস ভল্ট ও আন ইভেন বার ফাইনাল থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফ্লোর এক্সারসাইজ ও ব্যালান্স বিমে অংশ নেবেন কি না, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন পরে।’

মেয়েদের ফ্লোরের ফাইনাল হবে আগামী সোমবার। আর ব্যালান্স বিমের ফাইনাল হবে জিমন্যাস্টিকসের শেষ দিন ৩ আগস্ট, অর্থাৎ মঙ্গলবার।