বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৭ নভেম্বর সর্বশেষ মুখোমুখিতে আবাহনীকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল মোহামেডান। আর ক্লাব কাপে আবাহনী ১-০ গোলে হারিয়েছিল মোহামেডানকে। এ মৌসুমের তিনবারের সাক্ষাতে দুবারই জিতল আবাহনী।

আবাহনীর জয়ে সবচেয়ে সুবিধা হলো শিরোপাপ্রত্যাশী অন্যতম দল মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের। মোহামেডানকে হারিয়ে ১৪ ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৩৬। আর ১২ ম্যাচে মেরিনার্সেরও পয়েন্ট ৩৬। ১৩ ম্যাচে মোহামেডানের পয়েন্ট ৩৩-ই রইল।

default-image

পুরো ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেয়েছে মোহামেডান। পেয়েছে ১টি পেনাল্টি স্ট্রোক। কিন্তু তারপরও মোহামেডান হেরেছে। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার থেকে মাত্র দুটি থেকে গোল বের করতে পেরেছে সাদা-কালো দলটি।

বেশির ভাগ সময়ই পেনাল্টি কর্নার থেকে হিট করেছেন পেইলাত। কখনো বল মেরেছেন বাইরে, কখনো বল ঠেকিয়েছেন আবাহনীর ডিফেন্ডাররা। এমনকি পেনাল্টি স্ট্রোক পেয়েও গোল করতে পারেননি পেইলাত!

সে তুলনায় আবাহনী বলা যায় বেশ সফল ছিল পেনাল্টি কর্নারে। তিনটি পেনাল্টি কর্নার থেকে আবাহনী করেছে দুই গোল। অন্যটি ছিল ফিল্ড গোল। দুই দলের লড়াইয়ের আড়ালে আবাহনীর খোরশেদের সঙ্গে লড়াইটা হলো মোহামেডানের আর্জেন্টাইনদের।

সে লড়াইয়ে আর্জেন্টাইনরা মূলত পেরে ওঠেননি। এদিন দুই আর্জেন্টাইন জোয়াকিম মেনিনি ও পেইলাতের মধ্যে বোঝাপড়ারও বেশ অভাব ছিল। মাঝেমধ্যে রাসেল মাহমুদ চেষ্টা করেছেন। গোল করতে পারেননি জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার।

default-image

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে প্রথম পিসি পায় আবাহনী। মোহাম্মদ রিজওয়ানের হিট থেকে হিডে জান ভাগস বলটি স্টপ করেন। আর খোরশেদুর রহমানের অসাধারণ ড্র্যাগ ফ্লিকে ১-০–তে এগিয়ে যায় আবাহনী। ম্যাচের ৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে মোহামেডানকে সমতায় ফেরান পেইলাত।

এরপর ম্যাচের ২৮ মিনিটে কেলারমানের রিভার্স হিটে বক্সের সামনে দাঁড়ানো অরক্ষিত আরশাদ করেন ২-১। এরপর ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে খোরশেদুর ৩-১ করলে ততক্ষণে জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করে দেয়ে আবাহনী। ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পায় মোহামেডান ৪০ মিনিটে।

এবার পেনাল্টি স্ট্রোক পায় মোহামেডান। কিন্তু পেইলাতের হিট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আবাহনীর গোলরক্ষক আবু সাইদ। এরপর ৪৪ মিনিটে পেইলাত করেন ৩-২।

অবশ্য আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আবাহনী ৫৩ মিনিটে, কিন্তু ফাঁকা পোস্টেও গোল করতে পারেননি কেলারমান। কিন্তু ম্যাচ শেষের দুই মিনিট আগে আর ভুল করেননি কেলারমান। মাঝমাঠ থেকে লং বল ধরে দারুণ এক রিভার্স হিটে করেছেন ৪-২। আর এই গোলের পরই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে আবাহনীর ডাগআউট।

চার কোয়ার্টারের হকি ম্যাচ এক ঘণ্টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বারবার প্রতিটি পেনাল্টি কর্নারের বিপরীতেই রিভিউ নিয়েছে দুই দল, যা দেখতেও বেশ বিরক্তিকর ছিল। ম্যাচটি শেষ হয়েছে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টায়। যদিও মাঠে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন আবাহনীর সমর্থকেরা।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন