বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ফ্লোরেন্স গ্রিফিথ-জয়নার, যুক্তরাষ্ট্র

ফ্লো-জো নাম বেশি পরিচিত ফ্লোরেন্স গ্রিফিথ-জয়নারের ঝলকানি দেখেছিল ১৯৮৮ সিউল অলিম্পিক। ইতিহাসের দ্রুততম মানবী ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টের ‘ডাবল’ জেতেন সিউলে। অলিম্পিকের আগেই ১০০ মিটারের বিশ্ব রেকর্ড গড়া ফ্লো-জো ২০০ মিটারের বিশ্ব রেকর্ড গড়েন সিউল অলিম্পিকে। ৩৩ বছর পরও অক্ষত আছে রেকর্ড দুটি—শুধু এতটুকু বললে ভুল বলা হয়। ওই রেকর্ডের আশপাশেই যেতে পারেননি কেউ। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই অকালে মারা গেছেন ফ্লো-জো।

default-image

পাভো নুর্মি, ফিনল্যান্ড

ইতিহাসের সেরা মাঝারি ও দূরপাল্লার দৌড়বিদের তকমাটা বরাদ্দ পাভো নুর্মির জন্য। ১৯২০ থেকে ১৯২৮ সালে মধ্যে তিনটি অলিম্পিকে অংশ নিয়ে ৯টি সোনা জেতেন ফ্লাইং ফিন নুর্মি। ১৯২০ সালে অ্যান্টওয়ার্প অলিম্পিকে তিনটি সোনাজয়ী নুর্মি চার বছর পর প্যারিসে জেতেন পাঁচটি সোনা, যার চারটিই ব্যক্তিগত ইভেন্টে। যার মধ্যে ১৫০০ মিটার ও ৫ হাজার মিটারের সোনা নুর্মি জেতেন মাত্র ৯০ মিনিটের মধ্যে।

default-image

মার্ক স্পিৎজ, যুক্তরাষ্ট্র

১৯৬৮ সালে প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি মার্কিন সাঁতারু মার্ক স্পিৎজ। সোনা জিতেছিলেন শুধু দুটি রিলে ইভেন্টে। সেই স্পিৎজ ১৯৭২ মিউনিখ অলিম্পিকে লিখলেন অলিম্পিক ইতিহাসে ব্যক্তিগত আধিপত্যের সোনালি এক অধ্যায়। মিউনিখে সাঁতারপুলে সাতটি সোনা জেতেন স্পিৎজ, গড়েন সাতটি বিশ্ব রেকর্ডও। ২০০৮ সালে মাইকেল ফেল্‌প্‌স আটটি সোনা জেতার আগে এক অলিম্পিকে সবচেয়ে বেশি সোনা জয়ের রেকর্ড হিসেবে টিকে ছিল স্পিৎজের কীর্তি।

default-image

কার্ল লুইস, যুক্তরাষ্ট্র

উসাইন বোল্ট নামের গতিদানবের আবির্ভাবে আগে অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে সেরা অ্যাথলেট হিসেবে লুইসের নামটাই আসত সবার আগে। ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালে টানা দুবার ১০০ মিটারের সোনা জেতা লুইস ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক থেকে ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিক পর্যন্ত টানা চারবার লংজাম্পে সোনা জেতেন। স্প্রিন্ট ও লংজাম্পে সাফল্যের এমন যুগলবন্দী দেখাতে পারেননি অন্য কেউ।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন