প্রায় সব দেশ অংশগ্রহণের ব্যাপারে জাপানকে নিশ্চিত করলেও ব্যতিক্রম ছিল উত্তর কোরিয়া। করোনা মহামারির কারণে দেশটি এবারের অলিম্পিকে অংশ নেবে না বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছিল। তবে তাদের এ সিদ্ধান্ত যে অনেকটাই রাজনৈতিক, সেটি বুঝতে কারও বাকি নেই। জাপানের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক কখনোই ভালো নয়। উত্তর কোরীয় নেতা কিম সুযোগ পেলেই জাপানকে কড়া কথা শুনিয়ে দিতে পছন্দ করেন। নিজেদের দেশের ক্রীড়াবিদেরা অলিম্পিক উপলক্ষে জাপান ভ্রমণ করুক, সেটি তারা চায়নি। করোনা তাই বড় একটা সুযোগই করে দিয়েছে উত্তর কোরিয়াকে।

default-image

এত দিন জানা ছিল কেবল উত্তর কোরিয়াই অলিম্পিকে অংশ নেবে না। তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়া। জাপানের কিওদো বার্তা সংস্থা নিউজিল্যান্ড বেতারের বরাতে এ কথা জানিয়েছে। সামোয়াও করোনা মহামারিকে অজুহাত হিসেবে দেখাচ্ছে। সামোয়ার একজন মন্ত্রী জানিয়েছেন, জাপানে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়াতেই তাঁরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অলিম্পিক ভিলেজে থাকার বিষয়েও বিশেষ নিয়ম করেছেন আয়োজকেরা। ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তারা ভিলেজে উঠতে পারবেন কেবল ৫ দিন আগে। ইভেন্ট শেষ হয়ে যাওয়ার দুই দিনের মধ্যেই তাঁদের গেমস ভিলেজ ছেড়ে দিতে হবে। ভিলেজের বাইরে অবস্থান করলে কেউই অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না।

স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবহনসংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে এমনটা করা হচ্ছে। ফলে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে খুবই সীমিত সংখ্যায় ক্রীড়াবিদ থাকবেন। ৫৮০ সদস্যবিশিষ্ট জাপানের অলিম্পিক দলের অনেকেই শুরু এবং শেষের দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। তবে দলের কেবল দুজন সদস্যকে এই সিদ্ধান্তের বাইরে রাখা হবে। এঁরা হলেন দলের ক্যাপ্টেন ও পতাকা-বাহক।

অন্য রকম এক অলিম্পিকই এবার হতে যাচ্ছে টোকিওতে!

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন