বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টোকিওর জনগণের সিংহভাগ অলিম্পিক আয়োজনের বিরুদ্ধে। আয়োজক কমিটির এক সদস্য কদিন আগে স্বীকার করেছেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি একপ্রকার বাধ্য করেই তাঁদের অলিম্পিক আয়োজন করাচ্ছে।

এর মধ্যেই উৎসবের আমেজে অলিম্পিক আয়োজনের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল টোকিও অলিম্পিক কমিটি। ৮ আগস্ট পর্যন্ত অলিম্পিক ভিলেজকে সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ছিল তাদের।

default-image

এর মধ্যেই আজ ভিলেজ থেকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসায় একটু হলেও চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে সবাইকে। আক্রান্ত ব্যক্তি টোকিওতে নামার পর করোনা নেগেটিভ প্রমাণিত হয়েই ভিলেজে ঢুকেছিলেন। কিন্তু ভিলেজে থাকার সময় নিয়মিত পরীক্ষায় তাঁর করোনা ধরা পড়েছে।

তাই অলিম্পিক ভিলেজ যে জৈব সুরক্ষাবলয়ের মতো আচরণ করছে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেছেন সবাই। টোকিও অলিম্পিকের প্রধান হাশিমোতো এ ব্যাপারে কোনো কিছু লুকানোর পক্ষে নন।

এ ব্যাপারে হাশিমোতোর স্বীকারোক্তি, ‘যে অ্যাথলেটরা জাপানে আসছেন, তাঁরা সম্ভবত চিন্তায় পড়ে গেছেন। আমি সেটা বুঝতে পারছি। এ কারণেই আমাদের সবকিছু খোলাসা করে বলা উচিত। কোনোভাবেই যেন করোনা ছড়িয়ে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে সবকিছু করছি আমরা। যদি ব্যর্থ হই, সে ক্ষেত্রে এর প্রতিকারের পরিকল্পনা যেন থাকে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।’

করোনার কারণে এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল টোকিও অলিম্পিক। এক বছর বিভিন্ন বিধিনিষেধের মধ্যেই অলিম্পিক আয়োজন করা হচ্ছে। ২৩ জুলাই অলিম্পিক শুরু হচ্ছে। অথচ আয়োজক শহর টোকিওতে জরুরি অবস্থা চলছে। সেটা অন্তত ২২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে!

এরই মধ্যে বেশ কিছু অ্যাথলেট টোকিওতে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় অলিম্পিক থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান বাস্কেটবল খেলোয়াড় লিজ ক্যাম্পবেজ জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে হবে, এটা ভেবেই সরে গেছেন। ওদিকে ব্রিটিশ ভারোত্তোলক সারাহ ডেভিস বলেছেন, ‘সত্যি বলতে মনে হচ্ছে জেলখানায় আছি।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন