বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ঢাকা ছাড়ার আগে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ মার্গারিতা বলছিলেন, ‘রিও অলিম্পিকে সোনা জয়ের পর এটাই ছিল আমার বাংলাদেশে প্রথম সফর। পরিবারের সবার সঙ্গে এভাবে আমার দ্বিতীয় বাড়িতে আসতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে। এই দেশের মানুষের ভালোবাসা আর আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ। সময় ও সুযোগ পেলে আবারও আমি বাংলাদেশে আসতে চাই।’

ব্যস্ততার কারণে অবশ্য এবার বাবার বাড়ি রাজশাহীতে যেতে পারেননি মার্গারিতা। কিন্তু রাজশাহী থেকে মার্গারিতার চাচা ও চাচাতো বোনেরা বারবার বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনে টেলিফোন করেছেন। আত্মীয়স্বজন আশায় ছিলেন, অন্তত একবার রাজশাহীতে ঘুরে যাবেন মার্গারিতা।

default-image

বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি শেখ বশির আহমেদ যাওয়ার আগে মার্গারিতাকে উপহার দিয়েছেন ঢাকাই জামদানি শাড়ি, ক্রেস্ট। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম তাঁকে উপহার দিয়েছেন ঢাকা শহরের একটি প্রতীকী চাবি। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে শুভেচ্ছা স্মারক ও নানা উপহার। এ ছাড়া মার্গারিতা শপিং মলে গিয়ে পছন্দের কেনাকাটা করেছেন ঢাকা ছাড়ার আগে।

আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতার বর্ণিল আয়োজন দেখে মুগ্ধ মার্গারিতা। বাংলাদেশের জিমন্যাস্টসরা খুব কাছ থেকে দেখেছেন অলিম্পিকের সোনাজয়ী অ্যাথলেটকে। সোনার পদক ছুঁয়ে দেখেছেন জিমন্যাস্টসরা।

default-image

মার্গারিতাকে দেখে অনুপ্রেরণা খুঁজবে বাংলাদেশ—অন্তত এমনটাই মনে করেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমান, ‘জিমন্যাস্টসরা তাঁর পদকটা ছুঁয়ে দেখেছে। সেটাতে চুমু খেয়েছে অনেকে। ওরা আসলে অনেক রোমাঞ্চিত ছিল মার্গারিতাকে পেয়ে। আমি মনে করি, এটা ওদের আরও ভালো খেলতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিততে অনুপ্রাণিত করবে।’

যদিও বাংলাদেশে জিমন্যাস্টিকসে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বরাবরই অংশ নেয় কম। আহমেদুর রহমানের আশা, মার্গারিতাকে দেখে এবার মেয়েরাও জিমন্যাস্টিসকে আসতে চাইবে, ‘মার্গারিতাকে দেখে আশা করি বাংলাদেশের অনেক মেয়ে এই খেলায় আসতে আগ্রহ দেখাবে। আমাদের সভাপতি চেষ্টা করছেন জিমন্যাস্টিকস খেলাটা বাংলাদেশে আরও জনপ্রিয় করতে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই মার্গারিতাকে ঢাকায় আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশের জিমন্যাস্টিকস নিয়েও কাজ করতে আগ্রহী।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন