বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বড় এ টুর্নামেন্ট করতে গিয়েই ঢাকায় মাঠের সংকটের চিত্রটা ফুটে উঠেছে মেয়রের চোখে। তাই মাঠ রক্ষায় ভবিষ্যতে কোনো মাঠে গরুর হাট বসতে না দেওয়ার কথাও শুনিয়েছেন ফজলে নূর, ‘ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের মাঠের কতটা সংকট। আমরা খেলার মাঠে আর কোরবানির হাট বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে দেব না। মাঠগুলো শুধু খেলার জন্যই উন্মুক্ত থাকবে। আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক উন্মুক্ত মাঠ করতে চাই।’

টুর্নামেন্টে ঢাকার বাইরের ভোটারদের খেলার কোনো সুযোগ নেই। স্ব স্ব ওয়ার্ডের ভোটাররাই কেবল তাদের ওয়ার্ডের হয়ে খেলতে পারবেন। এই টুর্নামেন্ট থেকে খেলোয়াড় পাওয়ার আশা মেয়রের, ‘ঢাকার ছেলেরা মাদক ও অসামাজিক কাজ থেকে দূরে থেকে খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আমাদের এই প্রতিযোগিতা থেকে ভবিষ্যতে সাকিব, মাশরাফি, সালাউদ্দিন, আসলাম উঠে আসবে; সেই প্রত্যাশা করি।’

default-image

এবার শুধু ফুটবল ও ক্রিকেট আয়োজন করা হলেও ভবিষ্যতে খেলার সংখ্যা বাড়াতে চান তিনি, ‘আমাদের আইনে রয়েছে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি আয়োজনের কথা। আমরা এবার উদ্যোগ নিয়েছি। এ বছর শুধু দুটি খেলা হলেও পরের বছর বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন ও কাবাডিও হবে। প্রতিবছর আমরা এ আয়োজন করব।’

সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। সিটি করপোরেশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি, ‘পুরো ঢাকা একটা ক্রীড়া উৎসবে রূপ নেবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এমন উদ্যোগের জন্য সিটি করপোরেশনকে ধন্যবাদ। সিটি করপোরেশনের পাশে থাকবে বাফুফে।’ ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল পাবে পাঁচ লাখ ও তিন লাখ টাকা। টুর্নামেন্টের প্লাটিনাম পৃষ্ঠপোষক মধুমতি ব্যাংক ও গোল্ড পৃষ্ঠপোষক ওরিয়ন গ্রুপ।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন