বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার স্থান ১৬, বাংলাদেশের ৩৮। র‍্যাঙ্কিংয়ে ২২ ধাপ পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই আজ লড়াকু এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে।

এই কোরিয়ার কাছেই দোহায় ২০০৬ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ হেরেছিল ৯-১ গোলে। ২০১৪ ইনচন এশিয়ান গেমসে ৭-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। আর ২০১৮ এশিয়ান গেমসে জাকার্তায় পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও বাংলাদেশ হেরেছিল ৭-০ গোলে।
সেই তুলনায় বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই অসাধারণ হকি খেলেছে। বাংলাদেশের হয়ে গোল করেছেন আরশাদ হোসেন ও দীন ইসলাম। কোরিয়ার হয়ে গোল করেছেন জাং জংহিউন, জি উ চিওন ও পার্ক চিওলিওন।

default-image

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৯-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ভারতের কাছে। ওই ম্যাচে গোলরক্ষক হিসেবে ছিলেন আবু সাইদ। আজ কোচ একাদশে রাখেন গোলরক্ষক বিপ্লব কুজুরকে। কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আজ বিপ্লবের অভিষেক হলো আন্তর্জাতিক ম্যাচে। কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়ে কোরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছেন বিপ্লব। নিশ্চিত কয়েকটি গোল বাঁচিয়েছেন। ম্যাচ শেষে জিতে নিয়েছেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।

ভারতের সঙ্গে অতিরক্ষণাত্মক খেলা বাংলাদেশ আজ কৌশল পরিবর্তন করে খেলেছে। আর শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেছে। এতে ফলও পেয়েছে। ৮ মিনিটে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় আরশাদ হোসেনের গোলে। সার্কেলের সামান্য বাইরে থেকে সোহানুর রহমানের বাড়িয়ে দেওয়া গতিময় বল আরশাদ ডাইভিং ফ্লিকে করেছেন ১-০।
গোল শোধে মরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া সমতায় ফেরে ১৫ মিনিটে। পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ১-১ করেন জংহিউন।

default-image

পরের দুই কোয়ার্টারে চেষ্টা করেও আর কোনো গোল বের করতে পারেনি কোরিয়া। গত ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে যা খেলেছিল, সেই তুলনায় আজ বেশ গোছানো হকি উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। বল রিসিভিং ও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের কড়া পাহারায় রাখার কাজটা ভালোভাবেই করে বাংলাদেশ। ৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ যে গোলটি খেয়েছে, তা ঠেকানোর সাধ্য ছিল না বিপ্লবের। মাঝমাঠ থেকে ইয়াং জিহুনের গতিময় বল, ফ্লিক করে জালে জড়িয়েছেন জি উ চিওন। আর ৫৩ মিনিটে একদম অরক্ষিত চিওলিওন করেন ৩-১। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে আবারও আক্রমণে ওঠে বাংলাদেশ। জটলা থেকে দীন ইসলাম করেছেন ৩-২।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন