বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বড় আকর্ষণ ছিলেন ২০১৬ রিও অলিম্পিকে রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে সোনাজয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাশিয়ান জিমন্যাস্ট মার্গারিতা মামুন। তাঁকে কাছে পেয়ে উদ্বেলিত হয়ে পড়েন প্রতিযোগিরা।

মার্গারিতার পৈতৃক বাড়ি রাজশাহী। এর আগে কয়েকবার পারিবারিকভাবে পৈতৃক বাড়ি এসেছেন। তবে এবার আসা ভিন্ন কারণে। বঙ্গবন্ধু জিমন্যাস্টিকসে তাঁকে শুভেচ্ছাদূত করেছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশন।

default-image

আজ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্টানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মার্গারিতা বাংলাদেশে এসে নিজের মুগ্ধতাই প্রকাশ করেন বেশি। ভূয়সী প্রশংসা করেন টুর্নামেন্টেরও, ‘এটা বিশ্ব মানের একটি জিম্যানস্টিকস প্রতিযোগিতা। আমি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই আমাকে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। সবাইকে শুভেচ্ছা। প্রতিযোগিতার জন্য শুভকামনা। এখানে এসে আমি ভীষণ খুশি। বাংলাদেশের আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ।’

বিকেলে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা।

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি শেখ বশির আহমেদ। কোরআন তিলাওয়াতের পর ফেডারেশরেনর সভাপতি উপস্থিত অতিথি ও খেলোয়াড়দের সবাইকে স্বাগত জানান। ধন্যবাদ বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমান।

default-image

প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিব বর্ষে এমন এক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ জিমিন্যাস্টিক ফেডারেশন ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার। আমাদের জিমিন্যাস্টরা এমন বড় বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারলে হয়তো একদিন আমরাও জিমন্যাস্টিকে স্বর্ণপদক জয় করব। সবাইকে শুভেচ্ছা ও প্রতিযোগিতার জন্য শুভকামনা।’

বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসানের কথা, ‘অন্যান্য সব খেলার মতো জিমন্যাস্টিকেও আমাদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নজর রয়েছে। এই খেলায়ও আমাদের স্বর্ণপদক জয়ের সুযোগ আছে। তাই জিমন্যাস্টদের সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে শারীরিক কসরত প্রদর্শন করেন বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারী জিমন্যাস্টরা। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। যেখানে তুলে ধরা হয় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকসের এটিই সর্বোচ্চ আসর। ২০১১ সালে সুলতানা কামাল চতুর্থ সেন্ট্রাল সাউথ এশিয়ান আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশন। ১০ বছর পর আরেকটি বড় আংয়োজন হচ্ছে ঢাকায়।

default-image

এই আসরে বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারত, উজবেকিস্তান ও পাকিস্তান। ছয় দেশের ৬৭ জিমন্যাস্টসহ কোচ, বিচারক, কর্মকর্তাসহ প্রায় ১৭৭ জন অংশ নিচ্ছেন ৪ দিনের এই প্রতিযোগিতায়। আগামীকাল শুরু হবে মূল প্রতিযোগিতা।

তিন বিভাগে (পুরুষ সিনিয়র, জুনিয়র ও মহিলা) মোট ২২টি ইভেন্ট হবে। তিনটি ইভেন্টে বাংলাদেশের ১২ জন জিমন্যাস্ট অংশ নেবেন।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন