বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১. কেভিন কেসার (ক্যারিয়ন ক্রস)

২. কিথ লি

৩. স্যাভেলিনা ফ্যানেন (নায়া জ্যাক্স)

৪. আদ্রিয়েন পালমার (এম্বার মুন)

৫. এলিজাবেথ কিহাইয়া (স্কার্লেট বোর্দো)

৬. গ্র্যান মেটালিক

৭. কিয়ারা রেনে ম্যানিন-ফরস্টার (ফ্র্যাঙ্কি মোনে)

৮. হোসে করদেরো (লিন্সে দোরাদো)

৯. ন্যাটালি ইভা কয়েল (ইভা মারি)

default-image

১০. স্টেফানি হিম বেল (মিয়া ইম)

১১. ক্রিস্টোফার গিরার্দ (ওনি লোরকান)

১২. জেসিকা এলাবান (জেসি কামেয়া)

১৩. ব্লেক ক্রিশ্চিয়ান (ট্রে ব্যাক্সটার)

১৪. হ্যারি স্মিথ (ডেভি বয় স্মিথ জুনিয়র)

১৫. কাতালিনা গার্সিয়া (ক্যাটরিনা কোর্তেজ)

১৬. ব্রিয়ানা ব্র্যান্ডি (বি ফ্যাব)

১৭. অ্যাঞ্জেলা আরনল্ড (জেডা রামিয়ের)

১৮. সাতেন্দর দাগার (জিত রামা)

default-image

এনএক্সটি ইতিহাসের অন্যতম সফল দুই চ্যাম্পিয়ন ছিলেন কিথ লি ও ক্যারিয়ন ক্রস। এনএক্সটিতে তাঁদের সাফল্য দেখে ডব্লুডব্লুই-র মূল ব্র্যান্ড ‘র’তে নিয়ে আসা হয় তাঁদের। শুরুতে র‍্যান্ডি অরটনকে হারিয়ে সেখানে চমকও দেখান লি। কিন্তু এরপর থেকেই তাঁর ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য কিছু যোগ হয়নি। গত রেসলম্যানিয়ায় তাঁর ইউনাইটেড স্টেটস চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার কথা থাকলেও সে পরিকল্পনা কখনো আলোর মুখ দেখেনি।

বারবার নাম ও চরিত্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। অথচ একই সঙ্গে এনএক্সটি চ্যাম্পিয়ন ও এনএক্সটি উত্তর আমেরিকান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব গড়েছিলেন লি।

ওদিকে ক্যারিয়ন ক্রসের অবস্থা আরও বাজে। এনএক্সটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এই চ্যাম্পিয়ন লি-র মতোই ‘র’তে এসে নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকেন। এর আগে ডব্লুডব্লুইতে কখনও একটা ম্যাচ না হারা ক্রস ‘র’তে এসে প্রথম ম্যাচেই হেরে বসেন কিংবদন্তি রেসলার জেফ হার্ডির (জেফ্রি নিরো হার্ডি) কাছে। ব্যক্তিগত জীবনে লি ও ক্রসের বাগদত্তা মিয়া ইম ও স্কার্লেট বোর্দোকেও ছাঁটাই করা হয়েছে।

একবার নারী চ্যাম্পিয়ন ও দুবারের নারীদের দলগত চ্যাম্পিয়ন হওয়া নায়া জাক্সকেও ছাঁটাই করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রত্যেকেই ৩০ দিন পর অন্য প্রতিষ্ঠানের হয়ে রেসলিং করতে পারবেন। ফলে অল এলিট রেসলিং, ইম্প্যাক্ট রেসলিং, নিউ জাপান প্রো রেসলিংয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এঁদের নিতে চাইবে, নিশ্চিত!

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন