বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করতে না পারলে যেকোনো দেশের অ্যাথলেটকে ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে খেলার সুযোগ করে দেয় আইওসি। ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিক থেকে শুরু করে ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে প্রতিবারই অলিম্পিক গেমসে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ শুটাররা। কিন্তু সেই সুযোগ এবার ছিল না। এবার সারা বিশ্ব থেকে বিশেষ সুযোগের মাধ্যমে শুটার বাছাই করেছে আইওসি, এএনওসি (অ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটিস) ও এএসওআইএফের (অ্যাসোসিয়েশন অব সামার অলিম্পিক ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশনস) সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইপারটিট কমিশন।

এর আগে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে গিয়েছিলেন বাকি। আবারও অলিম্পিকে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে ভীষণ খুশি নৌবাহিনীর এই শুটার, ‘এবারের অলিম্পিকে যেতে পারব কি না, তা নিয়ে গত কয়েক মাস বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। যেকোনো অ্যাথলেটেরই স্বপ্ন থাকে অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার। আমার জন্য এটা অবশ্যই অনেক আনন্দের একটা খবর। এবার নির্ভার হয়ে অনুশীলন করতে পারব।’

default-image

রিও অলিম্পিকে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে বাকি বাছাইপর্বে হয়েছিলেন ২৫তম। রিও ডি জেনিরোর অলিম্পিক রেঞ্জে মোট ৬৫৪ পয়েন্টের মধ্যে প্রতিযোগিতায় বাকির স্কোর ছিল ৬২১.২। তবে এবার বাকি স্কোরে আরও উন্নতি করতে চান, ‘আমি এবার অলিম্পিকে অন্তত ৬২৭ স্কোর করতে চাই। এই স্কোরে আশা করি বাছাইপর্ব পার হতে পারব।’

শুটিংয়ের বাইরে বাংলাদেশ থেকে এরই মধ্যে টোকিও অলিম্পিকে যাওয়া নিশ্চিত করেছেন তিরন্দাজ রোমান সানা, সাঁতারু আরিফুল ইসলাম, জুনায়না আহমেদ ও অ্যাথলেট জহির রায়হান।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন