বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মিরপুরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মিনহাজুল আবেদীনের লাল দল ৭৪ রানে হারিয়েছে জাভেদ ওমর, মোহাম্মদ রফিকের সবুজ দলকে। আজকের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে লাল দলের হয়ে খেলেছেন মিনহাজুল আবেদীন, মেহরাব হোসেন, হান্নান সরকার, তুষার ইমরান, রাজিন সালেহ, আবদুর রাজ্জাকেরা। সবুজ দলের জার্সিতে খেলেন জাভেদ ওমর, শাহরিয়ার নাফীস, আফতাব আহমেদ, ফয়সাল হোসেন, মোহাম্মদ রফিক, সৈয়দ রাসেলরা। অনেকে এসেছিলেন স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে। খেলার ফাঁকে চলে প্রাণবন্ত আড্ডা।

দেশের খেলাধুলা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সেই প্রত্যাশার কথা জানালেন মিনহাজুল আবেদীন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমাদের ক্রিকেট অনেক দূর এগিয়েছে। শুধু ক্রিকেট নয়, আশা করি অন্যান্য খেলাও অতিদ্রুত এগিয়ে যাবে।’

default-image

বাফুফের কৃত্রিম টার্ফে ছিল আশি-নব্বই দশকের একঝাঁক তারকা ফুটবলারের মিলনমেলা। সবাই যেন ফিরে গিয়েছিলেন সেই পুরোনো দিনে। ইমতিয়াজ আহমেদ-আলফাজদের পায়ের কারুকাজে ফুটে উঠেছিল ফুটবলের সেই সোনালি অতীত। প্রতিবছরের মতো এবারও এমন প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ঘিরে টুকরো টুকরো আনন্দের বন্যা বইল মাঠে।

ফুটবলাররা খেলেছেন লাল ও সবুজ দুই দলে ভাগ হয়ে। ৪০ মিনিটের ম্যাচে ১০ মিনিট বিরতি। নামে প্রীতি ম্যাচ, কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচটা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছিল মাঠে। কেউ গোলের সুযোগ নষ্ট করলে, সতীর্থদের সেকি রাগ! লাল দলের রোকনুজ্জামান কাঞ্চন গোল দিলেও রেফারি অফসাইডের বাঁশি বাজিয়ে তা বাতিল করে দেন। আর তা দেখে মাঠের পাশে দাঁড়ানো এক দর্শক বলে উঠলেন, ‘বড্ড বেরসিক রেফারি। আজকের দিনে কেউ অফসাইড ধরে!’

এমন একটা ফুটবল ম্যাচে খেলতে পেরে ভীষণ খুশি জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার আলফাজ, ‘স্বাধীনতার জন্য শহীদদের এই আত্মাহুতির দিনটাকে আমাদের প্রাণভরে উপভোগ করা উচিত। ফুটবল ফেডারেশন আমাদের ডেকে যে সম্মান দিয়েছে তাতে তাদের ধন্যবাদ।’

default-image

প্রতিবছর এ দিনটার জন্য অপেক্ষায় থাকেন আলফাজ। সেই অপেক্ষা শেষে বললেন, ‘সুন্দর একটা দিনে জাতীয় দলের সাবেকদের যে মিলনমেলা হয়, এটার অপেক্ষায় চেয়ে থাকি। এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচে খেলতে এলে পুরোনো সতীর্থদের সঙ্গে দেখা হয়, কথা হয়। খুবই ভালো লাগে। বাফুফে যদি নিয়মিত এমন টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, তাহলে এই প্রজন্ম কিংবদন্তি ফুটবলারদের চিনতে পারবে।’

এই ফুটবলারদের অনেকে বর্তমানে নিজেদের ব্যবসায় ব্যস্ত। কেউ–বা কোচিং পেশায় জড়িত। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে পরেছেন, তাই আবেগের কাছে বয়সকে যেন হার মানিয়ে দিতে চাইছিলেন। জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার রোকনুজ্জামান কাঞ্চনের চোখেমুখে ছিল সেই আবেগের রেশ, ‘এই প্রীতি ম্যাচে সাবেক ফুটবলাররা খেলেন। তাই এখানে খেলতে এলে অন্য রকম আবেগ কাজ করে। সিনিয়র–জুনিয়র মিলে একসঙ্গে খেলতে পারছি। আজকের দিনটাকে ফুটবল দিয়ে উপভোগ করতে চাই।’

default-image

জাতীয় দলের সাবেক ডিফেন্ডার মোহাম্মদ সুজন অনেক দিন পর এসেছেন বাফুফের টার্ফে। গালভর্তি দাড়ি রেখেছেন বলে একেবারে চেনার উপায় নেই! এবার এসে ভীষণ খুশি সুজন, ‘ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছি অনেক দিন হলো। এখন নিজেদের কাজেই ব্যস্ত থাকি। কিন্তু এখানে আসতে পেরে নিজের কাছে খুব ভালো লাগে। একসঙ্গে মিলিত হলে পুরোনো স্মৃতি জেগে ওঠে।’

এই আনন্দময় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ৩-০ গোলে জয়ী হয়েছে সবুজ দল। গোল করেছেন মেহেদি হাসান (উজ্জ্বল), আলফাজ ও নকীব। কিন্তু দিনশেষে ট্রফি নিয়ে দুই দলই উল্লাস করেছে। এমন দিনে হার–জিতের কথা কেই–বা মনে রাখতে চায়!

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন