বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এর আগে ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ফাইনালে ওঠে জাপান। কিন্তু ঘরের মাঠে ফাইনালে সেবার তারা হেরে যায় পাকিস্তানের কাছে। দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে নিজেদের হকির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্যের দেখা পেতে পেতেও পেল না জাপান। অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গেল তারা। অন্যদিকে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ফাইনালেই সফল কোরিয়া।

দুই দলই দেখিয়েছে দ্রুতগতির হকির প্রদর্শনী। এক পোস্ট থেকে আরেক পোস্টে বল গেছে দু–তিন স্টিকের ছোঁয়াতেই। প্রথাগতভাবে ভারত বা পাকিস্তান যেমন স্কিলনির্ভর দল, জাপান ও কোরিয়া তেমন নয়। দুই দেশের খেলোয়াড়দের ফিটনেস এতটাই ভালো যে ক্লান্তি বলে তাঁদের কিছু নেই। দুই গোলে পিছিয়ে গিয়েও শেষ সময় পর্যন্ত কোরিয়া যেভাবে লড়াই করে গেছে, সেটি এক কথায় অনবদ্য।

অষ্টম মিনিটে জুন উ জিয়ংয়ের ফিল্ড গোলে দক্ষিণ কোরিয়া ১–০ করে। ২৪ মিনিটে পেনাল্টি কর্নারে ১–১ করেন জাপানের কেন নাগায়োশি। এই কোয়ার্টারের শেষ দিকে রায়মা ওকা দুর্দান্তভাবে একক প্রচেষ্টায় ২–১ করেন। তৃতীয় কোয়ার্টারে পিসি থেকে ইয়োশিকির স্টিকে হয় ৩–১। ম্যাচ তখন পুরোই জাপানের নিয়ন্ত্রণে।

default-image

চতুর্থ কোয়ার্টারে পিসি থেকে ৩–২ করেন কোরিয়ার জ্যাং জং হিয়ুন, সেমিফাইনালে যিনি চার গোল করে একাই চূর্ণ করেন ভারতকে। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার ৭ সেকেন্ড আগে আবার সেই জ্যাং পেনাল্টি কর্নারে গোল করে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে কোরিয়াকে। ৩টি অলিম্পিক খেলা ৩৭ বছর বয়সী হিয়ন জ্যাং টানা দুটি ম্যাচে জেতালেন কোরিয়াকে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনিই (১০টি)।

গোলের পর যখন সেন্টার হলো, ম্যাচের বাকি আর মাত্র ১ সেকেন্ড। এর আগে লিগ পর্যায়েও দুই দল ৩–৩ গোলে ড্র করেছিল। তবে আজ শেষ হাসি হাসল দক্ষিণ কোরিয়াই।

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন