বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রায় তিন বছর পর আগামীকাল শুরু হবে প্রিমিয়ার লিগ হকির দলবদল। বেশির ভাগ ক্লাবগুলো এরই মধ্যে ঘর গুছিয়ে ফেলেছে। মোহামেডানও তাদের পছন্দের খেলোয়াড়দের সঙ্গে চুক্তি করেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই তারা শাওনকে নিজেদের খেলোয়াড় বলে দাবি করছে।

কিন্তু মেরিনার্সের দাবি, ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকায় শাওনের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয় ৯ সেপ্টেম্বর। অগ্রিম ২ লাখ টাকা নেওয়া এই হকি খেলোয়াড়ের ১৬ সেপ্টেম্বর নওগাঁ থেকে ঢাকায় এসে ক্লাবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরপর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে শাওনকে খুঁজে পাওয়া যায় মোহামেডান ক্লাবে।

সেখান থেকে শাওন প্রায় ২২ ঘণ্টা পর মেরিনার্স ক্লাবে আসেন। তাঁকে নিয়েই তাঁরা মতিঝিল থানায় মোহামেডানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করতে যান। শাওন যে তাঁদের খেলোয়াড়, তা প্রমাণে দুই পক্ষের চুক্তিপত্র, ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে দুই লাখ টাকা পরিশোধের কাগজপত্রও মেরিনার্সের হাতে আছে। পুলিশ নাকি মেরিনার্সের জিডি না নিয়ে দুই ক্লাবের কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় শাওনকে মোহামেডান ক্লাবে পাঠিয়ে দিয়েছে।

আজ সংবাদ সম্মেলন করে মেরিনার্সের সহসভাপতি আলমগীর কবির বলেন, ‘শাওন আমাদের থেকে অগ্রিম দুই লাখ টাকা নিয়েছে। চুক্তিও হয়েছে। বৃহস্পতিবার নওগাঁ থেকে আমাদের ক্লাবে আসার কথা। কিন্তু পরের দিন জানতে পারলাম ঢাকায় আসার পর শাওনকে দুই ব্যক্তি হেফাজতে নিয়ে নেয়। রাতে মোহামেডান ক্লাবে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে থানা-পুলিশ করেও সমাধান হয়নি। শাওন বর্তমানে মোহামেডানের অধীনে আছে। তাদের কাছে এমনটি প্রত্যাশিত নয়। আমরা এর বিচার চাই।’

default-image

অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন মোহামেডানের হকি দলের ম্যানেজার আরিফুল হক প্রিন্স, ‘সে আমাদের খেলোয়াড়। আমাদের সঙ্গেই ওর চুক্তি। তা ছাড়া বাইলজে আছে খেলোয়াড় যে দলকে টোকেন দেবে, তারাই তাকে পাবে। যদি সে টাকা নিয়েও থাকে, তাহলে ফেডারেশনের মধ্যস্থতায় আমরা ফিরিয়ে দেব।’

অবশ্য মেরিনার্সের সাধারণ সম্পাদক হাসান উল্লাহ খান জানিয়েছেন, ‘আমরা ওই খেলোয়াড়ের দলবদল স্থগিত করার জন্য ফেডারেশনকে চিঠি দেব কাল। প্রিমিয়ার লিগ কমিটি আগে এই ঘটনার তদন্ত করুক। এরপরই শাওনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।’

অন্য খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন