বিজ্ঞাপন

কিন্তু তাঁর তো দ্রুত ৩০-৪০ করে আউট হওয়ার প্রবণতা আছে। শট নির্বাচনে সমস্যা নিশ্চয়ই?

রেডফোর্ড: শুধু তানজিদ নয়, সবাইকেই এ ব্যাপারে বলা হয়েছে। শট খেলা কঠিন নয়। তবে সঠিক সময়ে সঠিক শট খেলা কঠিন। ম্যাচগুলো মনে হয়েছে সে বুঝেশুনেই খেলছে। যেটা তার মারার বল, সেটা কিন্তু গ্যালারিতে যাচ্ছে। যখন মারার বল পাচ্ছে না, তখন এক-দুই নিচ্ছে। এই অভ্যাসটা ধরে রাখতে হবে।

লাল বলের ওপেনার হতে পারবেন তানজিদ?

রেডফোর্ড: অবশ্যই। কেন নয়! সে আগ্রাসী, এটা কোনো সমস্যা নয়। মানসিকতাই আসল। আমি ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টির বিশেষজ্ঞ তৈরি করতে আসিনি। আমার কাজ ভালো ব্যাটসম্যান তৈরি করা, যারা সব জায়গায় সফল হবে।

মাহমুদুল হাসানও তো দারুণ প্রতিভা। কিন্তু হাই পারফরম্যান্সের ম্যাচগুলোতে রান পাননি...

রেডফোর্ড: নেটে, বোলিং মেশিনের সামনে ওকে দারুণ লেগেছে। কিন্তু কীভাবে জানি ম্যাচে এলেই আউট হয়ে যায়! অসাধারণ প্রতিভা। তার খেলা দেখতেও দারুণ। খেলাতে কোনো সমস্যা নেই। সেই শট নির্বাচনের কথাই আসে।

আফিফ, নাঈম ও সাইফদের কেমন দেখলেন। তিনজনই তো জাতীয় দলে খেলে ফেলেছেন...

রেডফোর্ড: ওদের প্রায় সবাই-ই দেখেছি গার্ড নিচ্ছে লেগ স্টাম্প অথবা মিডল-লেগে। আমি তাদের জিজ্ঞেস করলাম, ‘বোলাররা কোন স্টাম্পে বেশি বল করবে?’ ওরা বলল, ‘অফ স্টাম্প ও অফ স্টাম্পের বাইরে।’ তারপর জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘কেন তাহলে মিডল-লেগে গার্ড নিচ্ছ?’ ওরা বলল, ‘আমি জানি না। সব সময় তো এটাই করে এসেছি।’ দেখছেন তো সমস্যাটা কোথায়? স্মিথ, কোহলি, স্টোকসদের দেখুন; বল ছাড়ার সময় ওদের মাথা থাকে অফ স্টাম্পে। যেন সহজেই বাইরের বল ছাড়তে পারে। যখনই আমি নাঈম, সাইফদের গার্ড বদলে মিডল-অফ স্টাম্পে আনলাম, তখনই সবকিছু বদলে গেল। আর আফিফ আমাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকলাস পুরানের কথা মনে করিয়ে দেয়। এত সুন্দর বল হিটিং সামর্থ্য খুবই কম দেখা যায়।

আপনার বেশ কিছু পুরোনো ছাত্র এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নিয়মিত। বিসিবি হাই পারফরম্যান্স দল থেকেও নিশ্চয়ই বেশ কয়েকজনকে বাংলাদেশ দলে দেখতে চাইবেন...

রেডফোর্ড: কেন নয়! ২০১০–এর দিকে যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাদের অনেকেই এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে। জেসন হোল্ডাররা এখনো আমাকে মেসেজ করে টুকটাক তথ্য নেয়। এখান থেকেও আশা করি তাই হবে। কেউ কেউ খুব দ্রুতই সুযোগ পাবে আশা করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাফল্য এখানেও চাই।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন