বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওমান থেকে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ পর্ব শুরু হবে। সেখানকার কন্ডিশন কেমন হতে পারে?

গিবসন: যা শুনেছি, তাতে মনে হচ্ছে, ওমানের উইকেট মন্থর হবে। সে ক্ষেত্রে আমাদের সুবিধাই হবে। তবে কন্ডিশন যা–ই হোক, আমরা মানিয়ে নেওয়ার অনেক সময় পাব।

default-image

যদি উইকেট মন্থর হয়, তাহলে বাংলাদেশ দলের সমন্বয় কেমন হবে? দুজন পেসার নাকি তিনজন?

গিবসন: এটা আসলে কোচ ও অধিনায়ক ভালো বলতে পারবে। আমি শুধু পেসারদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে দিই, যেন তারা সব ধরনের কন্ডিশনে ভালো করে। আশা করি, ওমান পৌঁছে ওরা শুরু থেকেই ভালো করবে। আইপিএলের ম্যাচও দেখছি। তবে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে ওমান পর্ব ভালোভাবে শেষ করা।

default-image

আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমানও ভালো বোলিং করছেন…

গিবসন: মোস্তাফিজের আইপিএল খেলা নিয়ে আমরা অনেক আলোচনা করেছি। সে মাঝে কিছুদিন দেশের বাইরে খুব একটা কার্যকরী ছিল না। দেশের বাইরে খেলতে গেলে যেসব দক্ষতা দরকার, সেসব নিয়ে কাজ করেছি। যেমন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অনেক কাটার করেছে সে। কারণ, কন্ডিশনই এমন ছিল। কিন্তু যেখানে উইকেট ভালো থাকে, সেখানে তাঁকে কার্যকরী হতে হবে। আইপিএলে সেটাই করে দেখাচ্ছে সে। এসব উইকেটেই আমরা বিশ্বকাপের মূল পর্ব খেলব।

মোস্তাফিজ তো আছেনই। বাকি পেসারদের নিশ্চয়ই একাদশে জায়গা পেতে প্রতিযোগিতা করতে হবে।

গিবসন: মোস্তাফিজ ও শরীফুল কিছু ম্যাচ একসঙ্গে খেলেছে। মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিনও আরেকটি সমন্বয়। দুটিই কার্যকরী। আর যদি আমাদের অতিরিক্ত গতি দরকার হয়, তাহলে দলে তাসকিন তো আছেই। মোস্তাফিজ অবশ্যই আমাদের মূল পেসার। তবে যদি আমরা দুই পেসারের জায়গায় তিন পেসারকে নিতে চাই, তাহলে কিন্তু কোচ ও অধিনায়কের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে। প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশন অনুযায়ী দলের সমন্বয় বদলাবে।

default-image

যে উইকেটগুলোতে আইপিএল হচ্ছে, সেখানেই বিশ্বকাপ হবে। এটা কী রকম প্রভাব ফেলবে?

গিবসন: আইপিএলের এই ম্যাচগুলোতে কিছু কিছু উইকেটে বাউন্স ও পেস দেখা যাচ্ছে। আরও খেলা হলে, উইকেট পুরোনো হলে কী হয়, সেটা দেখতে হবে। বিশ্বকাপে যদি ব্যবহৃত উইকেটে খেলা হয়, তাহলে চিত্রটা ভিন্ন হবে।

উইকেট মন্থর হলে বাংলাদেশের পেসারদের সুবিধা হবে বলে মনে করেন?

গিবসন: যদি উইকেট মন্থর হয়, তাহলে কাটার ও স্লোয়ার বলের দিকে যেতে হবে। কিন্তু বোলারদের সব দক্ষতাই থাকতে হবে। আমি সবার মধ্যেই অনেক দক্ষতা দেখতে চাই। এরপর কন্ডিশন অনুযায়ী দক্ষতার ব্যবহার দেখতে চাই। এই মাথার খেলাটা আমি ছেলেদের কাছে
প্রত্যাশা করি।

বৈচিত্র্য থাকা ও সেটি নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যে পার্থক্য আছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দলের পেসাররা কি পিছিয়ে?

গিবসন: এখানেই অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ। আমি কিছু ব্যাপারে একদমই ছাড় দিই না। নিখুঁত লাইন-লেংথ ও নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে এগুলোর একটি। যত জোরেই বল করো না কেন, যতই সুইং করাও না কেন, যদি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারো, তাহলে চলবে না।

সে জন্যই কি অনুশীলনে বেশ রাগান্বিত মনে হয় আপনাকে?

গিবসন: আমি রাগ শব্দটা ব্যবহার করব না (হাসি)। আমি ছেলেদের ওপর রাগ করি না, ওদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিই। আমি ওদের বাংলাদেশের সেরা হওয়ার জন্য অনুশীলন করাই না। ওদের লক্ষ্য যদি এত ছোট হয়, তাহলে চলবে না। ওদের বিশ্বের সেরা হতে হবে। এর জন্য দরকার অনুশীলনে সুশৃঙ্খল থাকা। যেমন নেটে নো বল না করা, ওয়াইড বল না করা। খেয়াল করে দেখবেন, ম্যাচে আমরা এখন অতিরিক্ত রান তেমন দিই না। কারণ, আমরা ছোট ছোট বিষয়ে খুব গুরুত্ব দিই।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন