বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সামনে বঙ্গবন্ধু টি–টোয়েন্টি কাপ। বরিশালের হয়ে খেলবেন। এবারও নিশ্চয়ই দুর্দান্ত কিছু করারই লক্ষ্য থাকবে?

ইরফান: মূল লক্ষ্য থাকবে ফাইনাল খেলা, শিরোপা জেতা। তবে এখন এত কিছু না ভাবাই ভালো। তামিম ভাইয়ের অধীনে খেলব, তিনি বাংলাদেশ ওয়ানডে দলেরও অধিনায়ক। ভেতরে জড়তা যত কম থাকে ভালো খেলার সম্ভাবনা ততই বেড়ে যায়। তামিম ভাইয়ের সঙ্গে আগেও খেলেছি, আমরা একই শহর থেকে উঠে এসেছি। তাঁর সঙ্গে বিভাগীয় দলে খেলেছি। তাঁর অধীনে খেললে তেমন কোনো জড়তা থাকবে না যেটি আমাকে অনেক সহায়তা করবে। তাঁর অধীনে খেলব বলেই আমি রোমাঞ্চিত। আর আমাদের দলটা তারুণ্য আর অভিজ্ঞতা মিলিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ। বেশির ভাগই গত টুর্নামেন্টে ভালো খেলেছে। বেশির ভাগই দেখবেন ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ উইনার, নিয়মিত ভালো খেলে। ভালো কিছু হবে আশা করি।

চট্টগ্রামের একটা আলাদা ক্রিকেট ঐতিহ্য আছে। একসময় জাতীয় দলে নিয়মিত খেলেছেন মিনহাজুল আবেদীন, আকরাম খান, নুরুল আবেদীন, সাহিদুর রহমানরা। মাঝে আফতাব আহমেদ,নাফিস ইকবাল, নাজীম উদ্দিনরা সেই ধারাটা কিছুটা ধরে রেখেছিলেন। তামিম ইকবালের পর আবার একটা বিরতি। গত দুই বছরে এই বিরতি যেন কাটার আভাস মিলছে। নাঈম হাসান, ইয়াসির আলী এসেছেন। আপনিও স্বপ্ন দেখছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটে চট্টগ্রামের সেই ঐতিহ্য ফেরাতে কতটা আশাবাদী?

ইরফান: আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সেই ঐতিহ্য ফিরবে। আমাদের পাইপলাইন যদি দেখেন, কদিন আগে অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ জেতা দিপু (শাহাদাত হোসেন), ইমন (পারভেজ হোসেন) আসছে। পরের অনূর্ধ্ব–১৯ দলেও চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আছে। এটিই বলে দেয় চট্টগ্রাম ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ভালো। আমাদের কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা মাঝে হারিয়ে গিয়েছিল বা ঘাটতি ছিল। তামিম ভাই আর সৌরভ ভাই (মুমিনুল হক) বছর সাতেক আগে একবার পুরো চট্টগ্রাম দলকে ডেকে বলছিলেন, কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা বাড়াতে হবে। ভাবনায় পরিবর্তন আনতে হবে। এরপর থেকে আমাদের মধ্যে কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা আসে। সবাই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা শুরু করে। স্কিলে আমাদের ঘাটতি নেই। চিন্তা আর ফিটনেসে আরও উন্নতি আনতে পারলে ক্রিকেটে চট্টগ্রামে পুরোনো ঐতিহ্য নিশ্চিত ফিরবে।

আপনি খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে। বাংলাদেশ দলে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের অভাব নেই। মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, নুরুল হাসান—অনেকেই আছেন। এই চ্যালেঞ্জটা কীভাবে দেখেন?

ইরফান: মাঝে একেবারেই ধারাবাহিক ছিলাম না। ২০১৯ সালের প্রিমিয়ার লিগ থেকে মোটামুটি ধারাবাহিক ভালো খেলতে শুরু করেছি। চ্যালেঞ্জ আসলে সবারই থাকে। মুশফিক ভাইদেরও অনেক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আসতে হয়েছে। আমার হাতে আছে ধারাবাহিক ভালো খেলে যাওয়া, কঠোর পরিশ্রম করে যাওয়া। এই দুটি ঠিকঠাক করতে পারলে নির্বাচকেরা নিশ্চয়ই বিবেচনায় রাখবেন।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন