বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখন তো লিগ জিতে ত্রিমুকুট জয়ের স্বপ্ন দেখছে আবাহনী। কতটা সম্ভব সেটা?

কলিনদ্রেস: সেটা হলে তো দারুণ এক অর্জন হবে। আমাদের সব মনোযোগ এখন লিগে। শেষ পর্যন্ত এটা ধরে রাখতে পারলে এই শিরোপাও জিততে পারব। তবে লিগ শিরোপার জন্য অনেক লড়াই হবে। আমাদের বাইরে শুধু বসুন্ধরা নয়, শেখ রাসেল ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবও লিগ শিরোপার জন্য লড়াই করবে।

বসুন্ধরার জার্সিতে ৪৮ ম্যাচে ২৬ গোল করেছিলেন। আবাহনীর হয়ে লক্ষ্য কী?

কলিনদ্রেস: ব্যক্তিগত লক্ষ্য নিয়ে আমি কথা বলতে পছন্দ করি না। দলের জয়টাই গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমি আবাহনীর লিগ চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হতে চাই।

শুনেছি আপনি যে এবার আবাহনীতে খেলতে আসবেন, সেটা আপনার এজেন্টও জানতেন না। কীভাবে এলেন আবাহনীতে?

কলিনদ্রেস: এর আগে বসুন্ধরা কিংসে ইমন (মাহমুদ) ও সুশান্ত (ত্রিপুরা) আমার সঙ্গে খেলেছে। তারাই প্রথম আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবাহনীতে খেলার জন্য। এরপর আবাহনী ক্লাব আমার সঙ্গে আলোচনা করে। একই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের আরও একটি ক্লাব থেকেও প্রস্তাব ছিল।

বসুন্ধরা এবং আবাহনী বাংলাদেশের ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্লাব। বসুন্ধরা নতুন দল হলেও ফুটবলে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। আবাহনীকে তাই নতুন কিছু যোগ করতেই হবে। আবার আবাহনীও কোথাও এগিয়ে আছে। এটা ভালো যে দুটি ক্লাবেরই চোখ এশিয়ান পর্যায়ে।
বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী লিমিটেডের মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে কলিন্দ্রেস

কোস্টারিকার বাইরে শুধু বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলেই খেলেছেন, তা–ও দুবার। এর পেছনে বিশেষ কোন কারণ আছে?

কলিনদ্রেস: বাংলাদেশে সবকিছুতেই শোরগোলটা একটু বেশি। এটা আমার ভালো লাগে। বসুন্ধরায় খেলার সময়ও খুব ভালো সময় কাটিয়েছি। কোস্টারিকায় ফিরে এই জীবনটা খুব মিস করেছিলাম। বাংলাদেশেই আমি প্রথম রাস্তায় হাতি হাঁটতে দেখেছি।

default-image

এবার এসে বাংলাদেশের ফুটবলে কোনো পরিবর্তন কি দেখছেন?

কলিনদ্রেস: অবশ্যই। ভালো মানের বিদেশি খেলোয়াড়ের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। প্রায় প্রতিটি দলই উন্নতি করেছে। গ্যালারিতে বেড়েছে দর্শকের সংখ্যা।

বসুন্ধরা ও আবাহনীর মধ্যে কি পার্থক্য দেখেন?

কলিনদ্রেস: বসুন্ধরা এবং আবাহনী বাংলাদেশের ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্লাব। বসুন্ধরা নতুন দল হলেও ফুটবলে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। আবাহনীকে তাই নতুন কিছু যোগ করতেই হবে। আবার আবাহনীও কোথাও এগিয়ে আছে। এটা ভালো যে দুটি ক্লাবেরই চোখ এশিয়ান পর্যায়ে।

default-image

কমলাপুর স্টেডিয়ামের টার্ফ নিয়ে অনেক অভিযোগ আছে। আপনি তো সেখানে খেলেছেন। কী সমস্যা দেখেছেন?

কলিনদ্রেস: দেখুন, এর আগে আমাকে নোয়াখালী স্টেডিয়ামে গিয়েও প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে হয়েছে। সেটা ছিল অবিশ্বাস্য ব্যাপার। সেই বাজে মাঠে খেলার পর কমলাপুর টার্ফ নিয়ে আর অভিযোগ জানাতে পারছি না।

বয়স তো ৩৭ বছর হয়ে গেছে। কোথায় গিয়ে থামতে চান?

কলিনদ্রেস: এটা শুধু আমার ওপরই নির্ভর করছে না। এমনও তো হতে পারে পরের ম্যাচেই আমি বড় চোট পেলাম। তখন কী হবে? যত দিন নিজেকে ফিট মনে করব, তত দিনই খেলব।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন