বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ দল সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

স্টিমাচ: বাংলাদেশ দুটি ম্যাচেই আমাদের বিপক্ষে কঠোর রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলেছে। প্রতি–আক্রমণে ওঠার সুযোগ খুঁজেছে তারা। রক্ষণভাগ জমাট রেখে খেলতে পছন্দ করে। আক্রমণে বাংলাদেশ ঝুঁকি নেয় না।

সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপক্ষে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছেন ভারতের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী। অনেকেই বলেন, সুনীলকে বাইরে রাখলে ভারতের পক্ষে বাংলাদেশকে হারানো সম্ভব নয়...

স্টিমাচ: মানুষ যা মনে করে, তা–ই বলে। এর ওপর আমার কোনো হাত নেই। এ নিয়ে আমার কোনো ভাবনাও নেই। তবে আমি মনে করি, তাদের ভাবনা পুরোপুরি ভুল।

সমর্থকদের দৃষ্টিতে সাফে প্রথম ফেবারিট দল ভারত। আপনার দৃষ্টিতে ফেবারিট কারা?

স্টিমাচ: র‌্যাঙ্কিংয়ের কথা বললে হয়তো আপনি সঠিক। কিন্তু ১২ দিনের মধ্যে ৫টি ম্যাচ খেলে মাঠে সে প্রমাণ দিতে হবে। কাজটি সহজ হবে না। তবে আশা করছি, টুর্নামেন্টে আমরাই সেরা হব।

সাফে ভারত সর্বাধিক সাতবারের চ্যাম্পিয়ন। আগেরবার মালদ্বীপের কাছে হারানো শিরোপা কি এবার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব?

স্টিমাচ: অবশ্যই সম্ভব। সে কারণেই আমরা মালদ্বীপে যাচ্ছি। তবে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া।

সম্প্রতি সাফে ভারতকে যুব দল পাঠাতে দেখা গেছে। এবার মূল দল নিয়ে সাফে যাওয়ার কারণ কী?

স্টিমাচ: সামনে অনেক ব্যস্ততা থাকায় নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো অসম্ভব। আগামী নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত আইএসএল লিগ চলবে। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের জন্য তাই আমাদের আর একসঙ্গে হওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। সে কারণেই এই টুর্নামেন্টকে আমরা প্রস্তুতির ক্ষেত্র হিসেবে ধরে নিয়েছি। এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করতে আমাদের বেশ কয়েকটি জায়গায়ই উন্নতি করতে হবে।

প্রায় দুই বছর ধরে ভারতের কোচের দায়িত্বে আছেন। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল সম্পর্কে কী ধারণা পেলেন এই সময়ে?

স্টিমাচ: ভারতের কোচ হওয়ার আগে আমি ইরান ও কাতারের ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন করেছি। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, আরব আমিরাত ও চীনের উন্নতি চোখে পড়েছে। তাদের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের মূল পার্থক্যটা মূলত বিনিয়োগে। এই অঞ্চলে অবকাঠামো নির্মাণ ও খেলোয়াড় তৈরির পরিকল্পনায় বিনিয়োগ কম বলেই তাদের সঙ্গে বড় পার্থক্য তৈরি হয়েছে।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন