বিজ্ঞাপন

শিরোপা জয়ের পথে দলটাকে কীভাবে গড়ে তুলেছিলেন?

অটো ফিস্টার: টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনুশীলনের জন্য কয়েক সপ্তাহ সময় পেয়েছিলাম। ক্যাম্পে আমার চিন্তাভাবনা খেলোয়াড়েরা খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছিল। ছেলেরা আমার নির্দেশনা মেনে কাজ করেছে। মিয়ানমারে মুন্না, আরমান, রকিব ও রঞ্জন দুর্দান্ত খেলে আমাকে অবাক করে দিয়েছিল। বাংলাদেশকে গর্বিত করেছিল তারা। দারুণ একটা প্রজন্ম ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কারও সঙ্গেই আমার যোগাযোগ নেই।

আপনি তো অধিনায়ক মোনেম মুন্নাকে অনেক পছন্দ করতেন...

অটো ফিস্টার: মুন্না ছিল মনে রাখার মতো একজন খেলোয়াড় ও নেতা। তার জায়গা আমার হৃদয়ে সব সময় থাকবে।

মিয়ানমার থেকে ফিরে পরের মাসেই মাদ্রাজ সাফ গেমসেও আপনি আর মুন্না আরও একটি শিরোপা জয়ের সাক্ষী হতে পারতেন...

অটো ফিস্টার: ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছিলাম আমরা। আমার বাংলাদেশ অধ্যায়ে সবচেয়ে হতাশাজনক মুহূর্ত ছিল সেটি। পুরো ম্যাচে আমরা অনেকগুলো সুযোগ নষ্ট করেছি। এমনকি কয়েকটি বল পোস্টে লেগেও ফিরে আসে। এর মধ্যে মিজানের দুর্দান্ত একটি হেড ছিল। আমাদের ভাগ্যই ভালো ছিল না।

আপনার দৃষ্টিতে সে সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের মান কেমন ছিল?

অটো ফিস্টার: এখনকার চেয়ে তখন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫০ ধাপ ওপরে ছিলাম। ওই অঞ্চলের ফুটবলে বাংলাদেশ ও ভারত ছিল সেরা। তবে

আমি মনে করি, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ সুন্দর খেলত।

বাংলাদেশে কাজ করার সময়টাকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

অটো ফিস্টার: অল্প সামর্থ্যের মধ্যে আমাদের অর্জন ছিল অনেক। অনেক বড় খেলোয়াড় তৈরি করেছি, যারা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়েছে।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন