বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সাইফ স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ কীভাবে?

চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে আমার সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ করা হয়েছিল। পরে এই ক্লাব থেকেও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সাইফ স্পোর্টিংয়ের প্রত্যাশার কথা জানানো হয়। শুনেছি, দলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় আছে। তাই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি।

বেশ কয়েক বছর পেশাদার ফুটবলের বাইরে ছিলেন। কোচিংয়ে আগের মতো মনোনিবেশ করা কি সম্ভব?

আমি মনে করি না এটা কঠিন কোনো ব্যাপার। সর্বশেষ ২০১৭ সালে ক্যামেরুনের একটা ক্লাবকে কোচিং করিয়েছি। এরপর সব সময় ফুটবলের সংস্পর্শেই ছিলাম। আর্জেন্টিনায় আমার একটা একাডেমি আছে। তাদের অনুশীলন করানো ছাড়াও পরিকল্পনা সাজাতে হয়। এ ছাড়া বোকা জুনিয়র্স ক্লাবের হয়ে স্কাউটিংয়ের দায়িত্বও পালন করেছি।

এত কোচ কেন? বারবার কোচ বদল করা ভালো কিছু নয়। আর্জেন্টিনার মতো দলও বারবার কোচ বদল করার খেসারত দিয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে।
ক্রুসিয়ানি

সাইফ স্পোর্টিং সব সময় সম্ভাবনাময় একটি দল। কিন্তু কখনো চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। দলটাকে শিরোপা জেতাতে পারবেন?

বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার পর এখানকার ফুটবল সম্পর্কে তেমন খোঁজখবর রাখা হয়নি। তবে এ অঞ্চলের ফুটবল সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। অবশ্যই আমি শিরোপার জন্য লড়ব। তবে কাজটি কঠিন। কোচরা অনেক সময় সুন্দর সুন্দর কথা বলেন। কিন্তু মাঠে তেমন কাজ দেখা যায় না। কথায় নয়, আমি কাজ করে দেখাতে চাই।

আপনার অধীনে জাতীয় দলকে মাঠের মধ্যভাগ ব্যবহার করে পুরোদস্তুর পাসিং ফুটবল খেলতে দেখা গিয়েছে। বাতাসে লম্বা পাস বা উইং দিয়ে ক্রসিং পছন্দ করতেন না। সাইফকে কোন কৌশলে খেলাতে চান?

এটা আসলে নির্ভর করে আপনার হাতে থাকা খেলোয়াড়দের সামর্থ্য ও যোগ্যতার ওপর। বাংলাদেশ দলে আমি লম্বা স্ট্রাইকার পাইনি, তাই বল মাটিতে রেখে পাসিং ফুটবল খেলেছি। আবার মালদ্বীপ জাতীয় দলে দুজন লম্বা ও হেডে ভালো স্ট্রাইকার পাওয়ায় ওদের উইংনির্ভর ফুটবল খেলিয়েছি। সাইফের বেশির ভাগ খেলোয়াড় তরুণ হওয়ায় ফিটনেসে ভালো হবে। আমি তো লম্বা পাসে খেলাতে চাইব। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর।

default-image

বাংলাদেশের পর আবাহনী লিমিটেডেরও কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের কোন ফুটবলার এখনো মনে দাগ কেটে রাখতে পেরেছে?

সব খেলোয়াড়ের কথাই মনে আছে। আলফাজ (আহমেদ), আরমানদের (মিয়া) কথাই বেশি মনে পড়ে। বিশেষ করে আরমানের কথা বলতে হবে। বল নিয়ন্ত্রণে দারুণ দক্ষ ছিল সে।

বাংলাদেশ থেকে আগেরবার আপনার বিদায়ের পর্বটা বেশ নাটকীয় ছিল...

শ্রীলঙ্কা থেকে সাফ গেমস শেষ করে ঢাকা বিমানবন্দরে নেমে শুনি আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এটি ছিল মিথ্যা কথা। কারণ, এর আগেই আমার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। অনূর্ধ্ব-২৩ দলটাকে আমি কোচশূন্য অবস্থায় রেখে যেতে চাইনি। তাই দলটার দায়িত্ব নিয়ে কলম্বো গিয়েছিলাম।

আপনার বিদায়ের পর গত ১৫ বছরে ২৩ বার কোচ বদল করেছে বাংলাদেশ...

এটা উন্মাদের মতো কাজ হয়েছে। এত কোচ কেন? বারবার কোচ বদল করা ভালো কিছু নয়। আর্জেন্টিনার মতো দলও বারবার কোচ বদল করার খেসারত দিয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন