বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাহলে ৭ অক্টোবর মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশই ফেবারিট?

সুজাইন: আগে হলে বলতাম মালদ্বীপ ফেবারিট। কিন্তু এখন ম্যাচটি ফিফটি-ফিফটি। মূলত, এর অন্যতম প্রধান কারণ অস্কার। যদিও অল্প সময়ের মধ্যে একটি দল গুছিয়ে আনা যায় না। কিন্তু তিনি বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে কোচিং করানোর সুবাদে সেখানকার সব ফুটবলারকে চেনেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, তাঁর এই অঞ্চলের সব ফুটবলারকেই চেনা আছে। তিনি মালদ্বীপেও অনেক জনপ্রিয় কোচ। ২০১৮ সালে প্রতিপক্ষ কোচ হিসেবে একে ওপরের বিপক্ষে ডাগআউটে দাঁড়িয়েছি আমরা। তিনি হয়তো ভারতের আইএসএলের কোচদের মতো দামি কেউ নন। তবে আমার দৃষ্টিতে এই অঞ্চলে তিনি অন্যতম সেরা কোচ।

শুধু কোচের জন্যই কি একটা দলকে এগিয়ে রাখা যায়?

সুজাইন: আমি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দেরও চিনি। এই তো কিছুদিন আগে আমাদের এখানে এএফসি কাপ খেলে গিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। দলটির অধিনায়ক ৪ নম্বর জার্সিধারী ডিফেন্ডারকে (তপু বর্মণ) আমার খুব ভালো লেগেছে। এ ছাড়া কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দেখেছি। বাংলাদেশের অধিনায়কের খেলাও আমার ভালো লেগেছে। এর আগে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র ম্যাচটি আমার মনে আছে। সেখানে দেখেছি, বাংলাদেশ দলে কয়েকজন ভালো খেলোয়াড় আছে। বড় কোনো সাফল্য না পেলেও দু–তিন বছর ধরে দলটি ভালো খেলছে।

দোহায় ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে মালদ্বীপ। দলে সাফের সর্বোচ্চ ২০ গোল করা অভিজ্ঞ আলী আশফাকের মতো খেলোয়াড় আছেন। আপনার দল সম্পর্কে জানতে চাই?

সুজাইন: করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রথমে আমি দলের সঙ্গে কাতারে যেতে পারিনি। পরে যোগ দিয়েছি। নির্বাচকেরা দলে আলী আশফাকসহ বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার রেখে আমার হাতে দলটা তুলে দেন। আমার দলটাকে অভিজ্ঞ ও তরুণের সংমিশ্রণ বলা যায়। আশা করি, ভালো ফুটবল উপহার দেবে তারা।

ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা কতটা নিতে পারবেন?

সুজাইন: নিজেদের মাঠে জাতীয় দল ও আমাদের ক্লাবগুলো খুব ভালো খেলে থাকে। কিন্তু এখন তো ঘরের সুবিধা নেওয়ার তেমন সুযোগ নেই। কারণ, মাঠে দর্শকসংখ্যা সীমিত থাকবে হয়তো। গত মাসে এফসি কাপে দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হয়েছে। আমাদের ক্লাবগুলো সমর্থন পায়নি।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন