বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বসুন্ধরা কিংসের হয়ে ১০০টি ম্যাচে কোচ থাকলেন। কেমন লাগছে?

অস্কার ব্রুজোন: লম্বা একটা পথ পাড়ি দিয়েছি। অনেক সমস্যা ও বাধা এলেও ক্লাবের সহযোগিতায় সেগুলো সমাধান করেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল কীভাবে ভালো থেকে আরও ভালো করা যায়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমন একটি তারকাসমৃদ্ধ দলকে ১০০ ম্যাচ কোচিং করানো সহজ কাজ নয়।

default-image

এর আগে অন্য কোথাও এত বেশি ম্যাচ কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার?

অস্কার: পেশাদার কোচিংয়ে এটাই সবচেয়ে বড় যাত্রা আমার জন্য। ২০০৯ সালে স্পেনের সেলতা ভিগোর একাডেমি দলে তিন বছর কোচিং করিয়েছি। এখানে আসার আগে মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্ট ক্লাবে চারটা ট্রফি জিতেছি। রেডিয়েন্টের হয়ে প্রায় ১০০ ম্যাচ হতে পারে।

default-image

বাংলাদেশে তো প্রায় সব শিরোপাই জিতলেন। তবু কোথাও কি ব্যর্থতা দেখেন?

অস্কার: আমি মনে করি, সব জায়গায় সফল হয়েছি। হ্যাঁ, এএফসি কাপে আরও ভালো করতে পারলে ভালো হতো।

default-image

১০০ ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় কোনটি? সবচেয়ে বাজে হারই–বা কোনটি?

অস্কার: ২০১৯ সালে নীলফামারীতে তখনকার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়। সে ম্যাচ আমাদের পরে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। বাজে হারের ম্যাচটিও নীলফামারীতে। ২০২০ সালে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে ৬৩ মিনিট পর্যন্ত ৩–০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও শেষ পর্যন্ত আমরা ৩–৪ গোলে হেরে যাই।

১০০ ম্যাচে যাদের কোচিং করিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সেরা খেলোয়াড় কাকে মনে হয়েছে?

অস্কার: অবশ্যই রবসন রবিনিও। এখন দক্ষিণ এশিয়ায় খেলছে, এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে রবসনই সেরা।

কোন খেলোয়াড়কে শিখিয়ে আনন্দ পেয়েছেন?

অস্কার: লেফটব্যাক ইয়াছিন আরাফাত। তাঁর দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, ম্যাচে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। সব সময় নিজের খেলায় বাড়তি কিছু যোগ করতে চায়।

প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন কোচকে কঠিন মনে হয়েছে?

অস্কার: কোচ নয়, আমি কিছু মানুষের কথাই বলব, এত সাফল্যের পরও যাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার সমালোচনা করেন। এর মধ্যে অনেকে আছেন, যাঁরা আমার সমালোচনা করে অন্য কোচকে দলে ঢোকাতে চান। যদিও এটাকে আমি সমস্যা মনে করি না।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন