আট বছর অনেক সময়। আর কেউ আট বছর কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের কোচ থাকলে সেটি যেন অনন্তকাল! অবিশ্বাস্য এই ‘কীর্তি’ ফিল সিমন্সের। সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ওপেনার আট বছর ধরে আয়ারল্যান্ড দলের কোচ। কাল সকালে ব্রিসবেনের সোফিটেল হোটেলের লবিতে তাঁর একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছেন উৎপল শুভ্র

default-image

কাল রাতে আপনার পুরোনো একটা সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম। গত অক্টোবরেই দেখি আপনি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাবেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সেটি তো ফলে গেল!
সিমন্স: ঠিক ভবিষ্যদ্বাণী বলব না। আমি বলেছিলাম, আমরা এই বিশ্বকাপে আসছি সব ম্যাচই জেতার লক্ষ্য নিয়ে। লোকজন বলছে, আমাদের তিনটি ম্যাচ জিততে হবে। কিন্তু আমরা তিন ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়ে এখানে আসিনি। প্রতিটি ম্যাচেই আমরা জয়ের কথা ভেবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেটাই আমি বলেছিলাম, আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি আমাদের হালকাভাবে নেয়, আমরা ওদের হারিয়ে দেব।
পেশাদার কোচদের এসব স্পর্শ করে না জানি, তার পরও নিজের পুরোনো দল, নিজের দেশকে হারিয়ে দেওয়ার পর কি মিশ্র একটা অনুভূতি হয়? 
সিমন্স: যেকোনো দলের বিপক্ষে জিতেই আমি সমান আনন্দ পাই। তবে পার্থক্য হলো, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে মাঠ ছেড়ে ফেরার সময় ওদের জন্য খারাপ লেগেছে। ওদের এমন একটা খারাপ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ও আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছে। কারণ এই বিশ্বকাপের জন্য আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি। আর বললামই তো, আইরিশ দল এখানে এসেছে প্রতিটি ম্যাচেই জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে, আমি অবশ্যই তাদের জয় চাইব (এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছেও)।
বিশ্বকাপে বড় দলগুলোকে হারানো তো নিয়মই করে ফেলেছে আয়ারল্যান্ড। ২০০৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ, গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড, এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ—আয়ারল্যান্ড তো সত্যিকার জায়ান্টকিলার!
সিমন্স: জায়ান্টকিলার? দুই বিশ্বকাপ আগে হয়তো কথাটা ঠিক ছিল। হয়তো গত বিশ্বকাপেও। তবে দুই বিশ্বকাপের মাঝখানেও আমরা নিজেদের প্রমাণ করেছি। জায়ান্টকিলার শব্দটা আমার পছন্দ নয়। আমি বরং চাই, সবাই বলুক আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি এবং ভালো ক্রিকেট খেলছি বলেই জিতছি।

ওই সাক্ষাৎকারেই দেখলাম, আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকাকেও হারানোর হুমকি দিয়ে রেখেছেন...

সিমন্স: সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারানোর পর আমি কথাটা বলিনি। বলতেই পারি না। দক্ষিণ আফ্রিকা এখন আমাদের মাথায়ই নেই। ২৬ তারিখ আসুক, আমিরাতের ম্যাচটা শেষ হোক। তখন দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ভাবব। আমরা এভাবেই ভাবছি...বেশি দূরে ভাবছি না। সব ম্যাচই বড় ম্যাচ। দুই-তিন দিন আগে ওরা খুব ভালো খেলেছে। আমিরাতকে বলতে পারেন গত দুই বিশ্বকাপ আগের আয়ারল্যান্ড। পাকিস্তান আমাদের হালকাভাবে নিয়েছিল, এর মূল্য দিয়েছে। আমিরাতকেও কেউ হালকভাবে নিলে ভুল করবে।

এই বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড আরও আপসেট ঘটাবে বলে কি আশা করছেন?

সিমন্স: আপসেট...আমি ঠিক জানি না কথাটা ঠিক কি না। আপনি আপসেট বলবেন কোনটিকে? এক দল তৃতীয় বিভাগে আছে আরেক দল প্রথম বিভাগে। এই বিশ্বকাপে তো সব দলই সমান। বিশ্বকাপের আগে যখনই খেলার সুযোগ পেয়েছি, বড় দলগুলোকে আমরা চাপে ফেলেছি। কোনো কোনোটি আমাদের জেতাও উচিত ছিল। তবে আমরা মনে করি, এটা দুই ঘোড়ার দৌড়। একটা জিতবে। আমরা সব ম্যাচেই জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। বাকি বিশ্ব আমাদের জয়কে আপসেট হিসেবে দেখতে পারে। আমাদের কাছে তা আপসেট না।

কিন্তু আগামী বিশ্বকাপই তো ১০ দলের হয়ে যাচ্ছে বলে আয়ারল্যান্ড হয়তো সেটিতে থাকবেই না...

সিমন্স: এটাই বড় প্রশ্ন। গত তিন বছরে আমরা মাত্র ৯টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। এই বিশ্বকাপ শেষে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আমরা যদি ৯টি ম্যাচই খেলি, তা হলে আমাদের র‌্যাঙ্কিংয়ের আটে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। শুধু বাছাইপর্বের প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি আমরা এ বছর ১৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম, আগামী বছর আরও ১৫টি, তাহলে আমাদের সুযোগ থাকত।

বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সময় আয়ারল্যান্ডের মধ্যে কি বাড়তি একটা জেদ কাজ করে?

সিমন্স: অবশ্যই। অবশ্যই। কারণ আয়ারল্যান্ড শক্তির বিচারে বাংলাদেশের কাছাকাছি। ঠিক ওপরে থাকা দলটির সঙ্গে খেলার সময় তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। যেখানে বড় দলের বিপক্ষে খেলার সময় খেলোয়াড়েরা অনেক নির্ভার থেকে খেলাটা উপভোগ করতে পারে, তার পর ফলাফল যা-ই হোক। জেতার বেশি সম্ভাবনা আছে র‌্যাঙ্কিংয়ে ওপরে ওঠার সুযোগ আছে—বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ তো একটু আলাদাই।

আয়ারল্যান্ড যে ২০২০ সালের মধ্যে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে, তা পূরণ করার পথে সবচেয়ে বড় বাধা কী?

সিমন্স: সবচেয়ে বড় সমস্যা টাকা। আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস পেলে আইরিশ খেলোয়াড়দের কাউন্টি চুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি যথেষ্ট টাকা থাকে, তাহলে আইরিশ বোর্ড খেলোয়াড়দের সঙ্গে সেভাবে চুক্তি করতে পারবে। তা না হলে বছরে একটি-দুটি টেস্ট খেলার জন্য ওদের কাউন্টি ছেড়ে আসতে বলা কঠিন। আমার মতে বাকি সব ঠিক আছে। এখন শুধু দরকার টাকা।

কিন্তু টেস্ট খেলুড়ে দেশ হতে হলে তো আরও অনেক কিছু লাগে—অবকাঠামো, সাধারণ মানুষের আগ্রহ, আয়ারল্যান্ড কি এসব শর্ত পূরণ করে?

সিমন্স: আট বছর আগে আয়ারল্যান্ডে ১২-১৩ হাজার ক্রিকেটার ছিল। এখন সংখ্যাটা ৪৫ হাজার। মানুষের মধ্যে আগ্রহও অনেকে বেড়েছে। দুই বছরের মধ্যে আন্তপ্রদেশ ক্রিকেট চালু হতে যাচ্ছে, যেটি হবে আমাদের প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট। কাঠামোটা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

এই বিশ্বকাপের শেষে আয়ারল্যান্ডকে কোথায় দেখতে পেলে খুশি হবেন?

সিমন্স: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমরা যেভাবে খেলেছি, প্রতিটি ম্যাচই যদি আমরা সেভাবে খেলতে পারি তাতেই আমি খুশি হব। আমরা সব ম্যাচ জিততে পারব না, তবে যদি আমরা একই রকম মানসিকতা নিয়ে খেলি, তাহলে অবশ্যই সুপার এইটে উঠব।

‘আমরা সব ম্যাচই জেতার লক্ষ্য নিয়ে নামি’

আট বছর অনেক সময়। আর কেউ আট বছর কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের কোচ থাকলে সেটি যেন অনন্তকাল! অবিশ্বাস্য এই ‘কীর্তি’ ফিল সিমন্সের। সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ওপেনার আট বছর ধরে আয়ারল্যান্ড দলের কোচ। কাল সকালে ব্রিসবেনের সোফিটেল হোটেলের লবিতে তাঁর একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছেন উৎপল শুভ্র

কাল রাতে আপনার পুরোনো একটা সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম। গত অক্টোবরেই দেখি আপনি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাবেন বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সেটি তো ফলে গেল!

সিমন্স: ঠিক ভবিষ্যদ্বাণী বলব না। আমি বলেছিলাম, আমরা এই বিশ্বকাপে আসছি সব ম্যাচই জেতার লক্ষ্য নিয়ে। লোকজন বলছে, আমাদের তিনটি ম্যাচ জিততে হবে। কিন্তু আমরা তিন ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়ে এখানে আসিনি। প্রতিটি ম্যাচেই আমরা জয়ের কথা ভেবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেটাই আমি বলেছিলাম, আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি আমাদের হালকাভাবে নেয়, আমরা ওদের হারিয়ে দেব।

পেশাদার কোচদের এসব স্পর্শ করে না জানি, তার পরও নিজের পুরোনো দল, নিজের দেশকে হারিয়ে দেওয়ার পর কি মিশ্র একটা অনুভূতি হয়? 

সিমন্স: যেকোনো দলের বিপক্ষে জিতেই আমি সমান আনন্দ পাই। তবে পার্থক্য হলো, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে মাঠ ছেড়ে ফেরার সময় ওদের জন্য খারাপ লেগেছে। ওদের এমন একটা খারাপ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়ও আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছে। কারণ এই বিশ্বকাপের জন্য আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি। আর বললামই তো, আইরিশ দল এখানে এসেছে প্রতিটি ম্যাচেই জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে, আমি অবশ্যই তাদের জয় চাইব (এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছেও)।

বিশ্বকাপে বড় দলগুলোকে হারানো তো নিয়মই করে ফেলেছে আয়ারল্যান্ড। ২০০৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ, গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড, এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ—আয়ারল্যান্ড তো সত্যিকার জায়ান্টকিলার!

সিমন্স: জায়ান্টকিলার? দুই বিশ্বকাপ আগে হয়তো কথাটা ঠিক ছিল। হয়তো গত বিশ্বকাপেও। তবে দুই বিশ্বকাপের মাঝখানেও আমরা নিজেদের প্রমাণ করেছি। জায়ান্টকিলার শব্দটা আমার পছন্দ নয়। আমি বরং চাই, সবাই বলুক আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি এবং ভালো ক্রিকেট খেলছি বলেই জিতছি।

ওই সাক্ষাৎকারেই দেখলাম, আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকাকেও হারানোর হুমকি দিয়ে রেখেছেন...

সিমন্স: সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারানোর পর আমি কথাটা বলিনি। বলতেই পারি না। দক্ষিণ আফ্রিকা এখন আমাদের মাথায়ই নেই। ২৬ তারিখ আসুক, আমিরাতের ম্যাচটা শেষ হোক। তখন দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ভাবব। আমরা এভাবেই ভাবছি...বেশি দূরে ভাবছি না। সব ম্যাচই বড় ম্যাচ। দুই-তিন দিন আগে ওরা খুব ভালো খেলেছে। আমিরাতকে বলতে পারেন গত দুই বিশ্বকাপ আগের আয়ারল্যান্ড। পাকিস্তান আমাদের হালকাভাবে নিয়েছিল, এর মূল্য দিয়েছে। আমিরাতকেও কেউ হালকভাবে নিলে ভুল করবে।

এই বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড আরও আপসেট ঘটাবে বলে কি আশা করছেন?

সিমন্স: আপসেট...আমি ঠিক জানি না কথাটা ঠিক কি না। আপনি আপসেট বলবেন কোনটিকে? এক দল তৃতীয় বিভাগে আছে আরেক দল প্রথম বিভাগে। এই বিশ্বকাপে তো সব দলই সমান। বিশ্বকাপের আগে যখনই খেলার সুযোগ পেয়েছি, বড় দলগুলোকে আমরা চাপে ফেলেছি। কোনো কোনোটি আমাদের জেতাও উচিত ছিল। তবে আমরা মনে করি, এটা দুই ঘোড়ার দৌড়। একটা জিতবে। আমরা সব ম্যাচেই জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। বাকি বিশ্ব আমাদের জয়কে আপসেট হিসেবে দেখতে পারে। আমাদের কাছে তা আপসেট না।

কিন্তু আগামী বিশ্বকাপই তো ১০ দলের হয়ে যাচ্ছে বলে আয়ারল্যান্ড হয়তো সেটিতে থাকবেই না...

সিমন্স: এটাই বড় প্রশ্ন। গত তিন বছরে আমরা মাত্র ৯টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। এই বিশ্বকাপ শেষে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আমরা যদি ৯টি ম্যাচই খেলি, তা হলে আমাদের র‌্যাঙ্কিংয়ের আটে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। শুধু বাছাইপর্বের প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি আমরা এ বছর ১৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম, আগামী বছর আরও ১৫টি, তাহলে আমাদের সুযোগ থাকত।

বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সময় আয়ারল্যান্ডের মধ্যে কি বাড়তি একটা জেদ কাজ করে?

সিমন্স: অবশ্যই। অবশ্যই। কারণ আয়ারল্যান্ড শক্তির বিচারে বাংলাদেশের কাছাকাছি। ঠিক ওপরে থাকা দলটির সঙ্গে খেলার সময় তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। যেখানে বড় দলের বিপক্ষে খেলার সময় খেলোয়াড়েরা অনেক নির্ভার থেকে খেলাটা উপভোগ করতে পারে, তার পর ফলাফল যা-ই হোক। জেতার বেশি সম্ভাবনা আছে র‌্যাঙ্কিংয়ে ওপরে ওঠার সুযোগ আছে—বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ তো একটু আলাদাই।

আয়ারল্যান্ড যে ২০২০ সালের মধ্যে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে, তা পূরণ করার পথে সবচেয়ে বড় বাধা কী?

সিমন্স: সবচেয়ে বড় সমস্যা টাকা। আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস পেলে আইরিশ খেলোয়াড়দের কাউন্টি চুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি যথেষ্ট টাকা থাকে, তাহলে আইরিশ বোর্ড খেলোয়াড়দের সঙ্গে সেভাবে চুক্তি করতে পারবে। তা না হলে বছরে একটি-দুটি টেস্ট খেলার জন্য ওদের কাউন্টি ছেড়ে আসতে বলা কঠিন। আমার মতে বাকি সব ঠিক আছে। এখন শুধু দরকার টাকা।

কিন্তু টেস্ট খেলুড়ে দেশ হতে হলে তো আরও অনেক কিছু লাগে—অবকাঠামো, সাধারণ মানুষের আগ্রহ, আয়ারল্যান্ড কি এসব শর্ত পূরণ করে?

সিমন্স: আট বছর আগে আয়ারল্যান্ডে ১২-১৩ হাজার ক্রিকেটার ছিল। এখন সংখ্যাটা ৪৫ হাজার। মানুষের মধ্যে আগ্রহও অনেকে বেড়েছে। দুই বছরের মধ্যে আন্তপ্রদেশ ক্রিকেট চালু হতে যাচ্ছে, যেটি হবে আমাদের প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট। কাঠামোটা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

এই বিশ্বকাপের শেষে আয়ারল্যান্ডকে কোথায় দেখতে পেলে খুশি হবেন?

সিমন্স: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমরা যেভাবে খেলেছি, প্রতিটি ম্যাচই যদি আমরা সেভাবে খেলতে পারি তাতেই আমি খুশি হব। আমরা সব ম্যাচ জিততে পারব না, তবে যদি আমরা একই রকম মানসিকতা নিয়ে খেলি, তাহলে অবশ্যই সুপার এইটে উঠব।

বিজ্ঞাপন
সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন