default-image

শ্রীলঙ্কার কোচ নিকোলা কাভাজোভিচের চোখে, দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার তিনি। কাল জাতীয় দলের কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ দিলেন আরও বড় স্বীকৃতি, এশিয়ারই সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। বঙ্গবন্ধু কাপের টুর্নামেন্ট-সেরার পুরস্কার পেয়েও তবু উচ্ছ্বাসহীন জামাল ভূঁইয়া
 টুর্নামেন্ট-সেরার পুরস্কার জিতলেন। তবু মুখে হাসি নেই...
জামাল ভূঁইয়া: আমার মনটা খুব খারাপ। অবশ্যই আমার জীবনের সেরা আনন্দের উপলক্ষ হতে পারত আজ। কিন্তু আমরা হেরে গেলাম। দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই ছিল আমার আসল লক্ষ্য। সেটা পারিনি বলে খুব খারাপ লাগছে। চ্যাম্পিয়ন হলেই খুশি হতাম।
 দুই বছর আগে আপনাকে ডেনমার্ক থেকে এনেছিলেন কোচ। যোগ্যতা প্রমাণ করে খেলছেন ঘরোয়া ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে। জাতীয় দলেও ধারাবাহিক। রহস্যটা কী?
জামাল: বাংলাদেশে আমি যখন শুরু করি খেলা, তখনকার চেয়ে অনেক উন্নতি করেছি আমরা। কোচই আমার আবিষ্কারক। আমাকে যে পজিশনে খেলান কোচ এবং যেভাবে খেলানোর চেষ্টা করেন, এটা আমাদের দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি এখন আরও বেশি পেশাদার এবং পরিণত হয়ে উঠেছি।
 কোচ তো আপনার অনেক প্রশংসা করেছেন।
জামাল: আমি জানি সেটা। এটাও স্বীকার করব, আমার এই অর্জনের সবই কোচের অবদান। নিজের প্রশংসা নিজে করছি না। কোচ আমাকে বলেছেন, তোমাকে নিয়ে এই বাংলাদেশ দল গর্ব করতে পারে। এটাই আমার জন্য অনেক বড় অর্জন।
 এবার ম্যাচের প্রসঙ্গে বলুন। খেলার শুরুতেই জাহিদকে হারিয়েছেন আপনারা। হারের পেছনে এটাও কি একটা কারণ?
জামাল: জাহিদ উঠে গেলেও কমল ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু জাহিদ তো জাহিদই। ও আমাদের দলের অন্যতম বড় ভরসা। ওকে হারানো আমাদের জন্য বড় ক্ষতি।
 ম্যাচের রেফারি নিয়ে কিছু বলবেন। মাঠে আপনাকে বেশ রাগান্বিত মনে হচ্ছিল?
জামাল: এটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কোচ এরই মধ্যে অনেক কিছু বলেছেন রেফারিকে। আসলে উনি মনে হয় ইচ্ছা করে আমাদের বিপক্ষেই বাঁশি বাজাচ্ছিলেন। আমি অনেক রেগে গিয়েছিলাম, কারণ অহেতুক বেশ কয়েকটা বাজে সিদ্ধান্ত দেন আমাদের বিপক্ষে। আমি এটা বলায় আমাকে হলুদ কার্ড দেখালেন। কিন্তু কেন দেখালেন জানি না।
 ম্যাচ ২-২ হওয়ার পরও কেন জয়সূচক গোলটি পেতে মরিয়া দেখাচ্ছিল না আপনাদের?
জামাল: আমরা এমনিতেই অনেক ক্লান্ত। তবু আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। দ্বিতীয়ার্ধে ওরা মাত্র একটাই সুযোগ পেয়েছে। এবং ওটাই কাজে লাগিয়েছে।
 শেষ কয়েক মিনিটে তো বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছিল। এমন নেতিবাচক মানসিকতার কারণ কী?
জামাল: আবারও আগের কথাই বলব, আমরা সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সবাই চাইছিলাম যেন অতিরিক্ত সময়ে যায় ম্যাচটি। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে পারলাম না।

বিজ্ঞাপন
সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন