default-image

কিরিওস এমন একটা সময়ে আদালতের সমন পেলেন, যখন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস খেলোয়াড় উইম্বলডনের কোর্টে লড়ছেন। এরই মধ্যে তিনি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন। তবে এবারের উইম্বলডনে এরই মধ্যে নানা কারণে তিনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে কিরিওস তাঁর সাবেক প্রেমিকা চিয়ারা পাসারিকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগটি উঠেছিল। তাঁর কৌসুলি জেসন মফেট জানিয়েছেন, এটা পারিবারিক কলহ–সংক্রান্ত ঘটনা। তিনি এ মুহূর্তে পুরো ব্যাপারটি নিয়ে এর বেশি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, কিরিওস এই অভিযোগটি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছেন। বুধবার কিরিওস উইম্বলডন কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রিস্টিয়ান গারিনের বিপক্ষে কোর্টে নামবেন।

default-image

গত জানুয়ারিতে কিরিওস অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে দ্বৈত ইভেন্টের শিরোপা জিতেছিলেন থানাসি ককিনাকিসের সঙ্গে জুটি বেঁধে। ২০১৬ সালে টেনিসের বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে কিরিওস ১৩ নম্বরে থাকলেও বর্তমানে তাঁর অবস্থান ৪০তম।

এবারের উইম্বলডনে এখন পর্যন্ত বিতর্কিত ঘটনায় জড়িয়ে দুইবার জরিমানার মুখে পড়েছেন কিরিওস। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ চলাকালে এক দর্শকের দিকে থুতু ছুড়েছিলেন। এর জন্য তাঁকে ১০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। এরপর গত শনিবার স্তেফানো সিৎসিপাসকে হারানো ম্যাচে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ করে বাজে কথা বলায় জরিমানা করা হয়েছে চার হাজার ডলার।

এরপরও থামেননি কিরিওস। মঙ্গলবারও জন্ম দিয়েছেন বিতর্কের। শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্র্যান্ডন নাকাশিমাকে হারানোর পর তিনি উইম্বলডনের পোশাক–সংক্রান্ত রীতি ভেঙে লাল ক্যাপ পরে সাক্ষাৎকার দেন কোর্টেই। এটা নিয়ে প্রশ্ন করায় বলেন, যেটি মন চায়, সেটিই করতে পছন্দ করেন তিনি। এই ঘটনায় তাঁকে তৃতীয় দফা জরিমানা গুনতে হতে পারে।

উইম্বলডনের আয়োজক ‘অল ইন্ডিয়া ক্লাব’ কিরিওসের আদালতে হাজিরা–সংক্রান্ত ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

টেনিস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন