বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জোকোভিচ কি খুব মুষড়ে পড়েছেন? এই যে অপ্রাপ্তি, সার্বিয়ান তারকা কি এতে বেদনার্ত? ফাইনালে মেদভেদেভের কাছে হেরে যাওয়ার পর কিন্তু তাঁর কণ্ঠে উল্টো সুর। তিনি নাকি হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন এতে। ২১তম গ্র্যান্ড স্লামের সঙ্গে ৫২ বছরের পুরোনো কীর্তি ছোঁয়া, এ নিয়ে গণমাধ্যমে এত সব লেখালেখি—জোকোভিচ নাকি গোটা ব্যাপারটিতেই বড্ড ক্লান্তি বোধ করছিলেন। প্রত্যাশার চাপ তাঁকে মানসিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত করছিল। তাই পুরো ব্যাপার মিটে যাওয়ায় জোকোভিচ বরং অনেকটাই নিশ্চিন্ত।

ম্যাচের পর তাঁকে অপ্রাপ্তির বেদনা পেয়ে বসেছে কি না, সংবাদমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে ছোট্ট করে জোকোভিচের মন্তব্য, ‘আমি এখন অনেকটাই নিশ্চিন্ত।’ এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন সার্বিয়ান তারকা এভাবে, ‘আমি আনন্দিত যে গোটা বিষয়টিই মিটে গেছে। এ টুর্নামেন্টের আগে প্রত্যাশার ব্যাপারটি আমার শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষা নিচ্ছিল। গোটা বিষয়ই বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল শেষ দুই সপ্তাহ। আমি আর পারছিলাম না।’

default-image

ফাইনালে জোকোভিচ যেন মেদভেদেভের কাছাকাছি মানেরও ছিলেন না। ছিলেন না ছন্দে। আনফোর্সড এরর করেছেন। ৩৬ মিনিটের মধ্যে হেরেছেন প্রথম সেট। শেষ পাঁচটি ম্যাচে জোকোভিচ প্রথম সেট হারলেন।

দ্বিতীয় সেটেও ঘুরে দাঁড়ানোর মতো কোনো খেলা দেখাতে পারেননি। দুবার গেম ব্রেক করতে ব্যর্থ হন। ব্যাকহ্যান্ড ভলি করতে গিয়ে ভুল করে বসেন। মেদভেদেভের কোনো অসুবিধাই হয়নি সার্ভিস ব্রেক করতে। তৃতীয় সেটেও ছিল প্রায় একই অবস্থা। তবে এই সেটে জোকোভিচ মেদভেদেভের ভুলে কিছুটা সুযোগ পেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিটের লড়াইয়ে ম্যাচটা জিতে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে নেন মেদভেদেভ।

জোকোভিচ স্বীকার করেছেন গোটা বছরে এত ম্যাচ তিনি খেলেছেন, যেটি শারীরিকভাবে তাঁকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, ‘আমি অনেক চেষ্টা করেছি। আমার পা চলছিল না ম্যাচে। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে খেলেছি। হ্যাঁ, ম্যাচে প্রচুর আনফোর্সড এরর করেছি। আমি আমার মানের ধারেকাছে ছিলাম না।’

টেনিস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন