default-image

এটিপি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড় নোভাক জোকোভিচ। টেনিসের ‘বিগ ফোর’–এর অন্যতম। তাঁর ইমেজ নিয়েই ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করেছিলেন এক লোক। এক মডেলকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন টাকার বিনিময়ে জোকোভিচের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে তা ভিডিও করতে হবে। নাতালিয়া স্কেকিচ নামের সেই মডেলই জানিয়েছেন চাঞ্চল্যকর এই তথ্য। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এই খেলোয়াড়ের ইমেজ ও পারিবারিক জীবন নষ্ট করাই ছিল সম্ভাব্য এই দুষ্কর্মের লক্ষ্য।

সার্বিয়ান সাময়িকী ‘সভেত অ্যান্ড স্ক্যান্ডল’–এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন নাতালিয়া। ৯০ হাজার ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা)  সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এই মডেল। এ জন্য তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হয়েছিল। নাতালিয়া ভেবেছিলেন কাজের খাতিরে লন্ডনে গিয়েছেন। কিন্তু সেখানে এমন প্রস্তাব পাওয়ার পর তিনি তা নাকচ করে দেন। ২০১৪ সালে ইয়েলিনা জোকোভিচকে বিয়ে করেন ‘জোকার’খ্যাত সার্বিয়ান টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ। তাঁদের ঘরে দুটি সন্তানও আছে। স্কেকিচ জানান, জোকোভিচের সম্মান নষ্ট করাই ছিল এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য।

বিজ্ঞাপন
default-image

সাময়িকীকে স্কেকিচ বলেন, ‘এক লোক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। লন্ডনে তার সঙ্গে জানাশোনা হয় এবং তাকে কাজের লোক ভেবেছিলাম। সে যখন আমার কাছে সময় চাইল, ভেবেছিলাম হয়তো কাজের খাতিরে। কিন্তু কথা এগিয়ে চলার পর বুঝতে পারলাম আমার কাজের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’ সেই বৈঠকেই লোকটি প্রস্তাব দেন, জোকোভিচকে পটিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভিডিও করতে হবে।

স্কেকিচ জানান, ‘সে যখন নোভাককে পটিয়ে তা ক্যামেরায় ধারণ করার কথা বলছিল, আমি ভেবেছিলাম হয়তো গোপন ক্যামেরার কথা বলছে। সে নিজেই এসব ঠিক করবে। এই কাজের জন্য সে আমাকে ৯০ হাজার ডলার সেধেছিল এবং যেখানে খুশি সেখানে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। হাসি থামাতে পারিনি। ভেবেছিলাম সে মজা করছে। কিন্তু লোকটা সত্যি সত্যিই প্রস্তাবটা দিয়েছিল। বেশ অপমানিত বোধ করেছি।’

default-image

নাতালিয়া এতটাই অপমানিত বোধ করছিলেন যে তৎক্ষণাৎ প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন, ‘সেই মুহূর্তে তাকে মারতে ইচ্ছা হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে সংযত রাখি কারণ আমরা জনসমাগম হয় এমন জায়গায় ছিলাম। নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে চলে আসি।’ সার্বিয়ান এ মডেল যোগ করেন, ‘আশা করি সে এই কাজের জন্য কোনো নারীকে খুঁজে পায়নি। কারণ এটা জোকোভিচের প্রতি অবিচার। সে আমাদের (সার্বিয়া) সেরা দূত, পরিবারের প্রতি নিবেদিত এক মানুষ। টাকার জন্য তার মতো কাউকে পটানো...।’

সেই লোকের নাম–পরিচয় জানা যায়নি। সংবাদমাধ্যম জোকোভিচের সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাঁর পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য মেলেনি। সম্প্রতি পরিবারকে সময় দিতে মায়ামি মাস্টার্স থেকে নিজের নাম তুলে নেন জোকোভিচ।

বিজ্ঞাপন
টেনিস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন