কী আছে ওয়েবসাইটে

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইটের প্রবেশ করলেই আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে মুক্তিযুদ্ধের তথ্যভান্ডার। ওয়েবসাইটের প্রথমেই চারটি ছবিতে যুদ্ধের ময়দানে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ছবির পাশাপাশি বিদেশি গণমাধ্যমে দেশের উদ্বাস্তুদের করুণ কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। ছবিগুলোর নিচে তিনটি বিভাগে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বিস্তারিত তথ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ মাসে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনার তথ্য জানা যাবে। পেজের নিচের অংশে রয়েছে ছয়টি ভিডিও। এসব ভিডিওতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন তথ্য জানার সুযোগ মিলবে।

একনজরে জাদুঘরের তথ্য

অনলাইনে জাদুঘরে প্রবেশ করে কী কী তথ্য জানা বা দেখা যাবে, তা তুলে ধরা হয়েছে ‘অ্যাবাউট মিউজিয়াম’ অপশনে। এই অংশে ক্লিক করলেই ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের নাম-পরিচয় জানার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যাবে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন বইয়ের তালিকা প্রচ্ছদসহ দেখা যাবে। জাদুঘরের কার্যক্রম ও পরিচালিত প্রোগ্রামের তথ্যও মিলবে। ওয়েবসাইটের বাংলাদেশ অপশনে তুলে ধরা হয়েছে মুক্তিবাহিনীকে নেতৃত্ব দেওয়া সেক্টর কমান্ডারদের নাম ও যুদ্ধের ময়দানে তাঁদের সাফল্যের ইতিহাস।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অপশন হলো আর্কাইভ। আর্কাইভে সবার ওপরে রয়েছে ‘টুডে ৭১’। এখানে ১৯৭১ সালের দিনভিত্তিক উল্লেখযোগ্য ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। ফলে আপনি চাইলেই মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন দিনে ঘটে যাওয়া খুঁটিনাটি তথ্য জানতে পারবেন। রয়েছে ডকুমেন্টস বিভাগ। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। দেশের বিভিন্ন জেলার যুদ্ধের ইতিহাসের পাশাপাশি গণহত্যা ও নৃশংসতার তথ্যও জানার সুযোগ মিলবে। ‘ফটো আর্কাইভ’ অপশনে প্রবেশ করলেই দেখা যাবে মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ ছবি।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সবার কাছে তুলে ধরতে বছরজুড়েই বিভিন্ন আয়োজন করে থাকে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। ‘অ্যাক্টিভিটিজ’ অপশনের প্রবেশ করে এসব তথ্য জানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে হতে যাওয়া কার্যক্রম সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে।

ফেসবুকে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

ওয়েবসাইটের পাশাপাশি ফেসবুকেও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সরব উপস্থিতি। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের www.facebook.com/liberationwarmuseum.official/ পেজে হালনাগাদ সব তথ্যই জানা যাবে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন