নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে ইমরান খান বলেন, পাঁচ বছর আগে থেকেই তিনি আলেফ হোল্ডিংয়ের ওপর নজর রাখছেন। আলেফের ব্যবসার ধরন অনন্য। এই প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক অবকাঠামোটি স্থানীয় অভিজ্ঞতার সাহায্যে জোরদার হয়েছে। তারা যে প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিনিধিত্ব করছে, তার ব্যাপকতা এবং যে বাজারেই তারা প্রবেশ করে, সেখানকার বিজ্ঞাপনদাতাদের ওপর তাদের ইতিবাচক প্রভাব প্রশংসনীয়। এটি এমন একটি মডেল, যেখানে প্রচুর উন্নতি করার সুযোগ আছে।

আলেফ হোল্ডিংয়ের সিইও গ্যাস্টন টারাটুটা বলেন, ইমরান অনেক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলেফে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রার পরবর্তী ধাপের জন্য তাঁর উদ্যোক্তা-চিন্তা ও বৈশ্বিক প্রযুক্তিবিষয়ক অভিজ্ঞতার সমন্বয় সম্পূর্ণ যথাযথ। আলেফে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সুযোগের সম্ভাবনা রয়েছে এবং তা অর্জন করতে সহায়তা করায় ইমরান মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন।

ইমরান খানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশে। ছোটবেলায় একজন তুখোড় বিতার্কিক ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ২০০০ সালে ডেনভার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানিয়েলস কলেজ অব বিজনেস থেকে পড়াশোনা করেন ইমরান। তিনি পৃথিবীর বৃহত্তম দুই টেক আইপিও, আলিবাবা ও স্ন্যাপে কাজ করেছেন।

আলেফ হোল্ডিং বৃহত্তম ডিজিটাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে (যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন, স্ন্যাপচ্যাট, টুইচ ও টিকটক) বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়। এসব বিজ্ঞাপনদাতার মধ্যে বৈশ্বিক ব্র্যান্ড এবং উঠতি উদ্যোক্তাও রয়েছেন। বিশ্বের ৭০টির বেশি বাজারে আলেফ ডিজিটাল মিডিয়ার প্রদানকৃত সুবিধাগুলো যাতে সবখানে পৌঁছে যায়, তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে আসছে।