গিগাবিট সক্ষমতা হলো গ্রাহককে সেকেন্ডে এক গিগাবিট গতির ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া, যা সেকেন্ডে ১ হাজার মেগাবিট বা ১২৫ মেগাবাইটের সমান।

গিগাট্যাগের প্রতিবেদনে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সম্পর্কে মানুষের ধারণা নেই বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচজনে কেবল একজন দ্রুতগতির জন্য বেশি অর্থ পরিশোধ করতে রাজি আছেন বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান ইন্টারনেট প্যাকেজের সঙ্গে গিগাবিট গতির প্যাকেজের পার্থক্য কতটুকু, তা অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়।

গিগাবিট গতির ইন্টারনেট প্রযুক্তি এবং এর সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অনেক প্রচারণা সত্ত্বেও প্রতি ১০ জনে ৬ জন ইন্টারনেট সেবাগ্রহীতা গিগাবিট ইন্টারনেটের অস্তিত্ব সম্পর্কেই জানেন না।

এদিকে ২০২৫ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে ৫০০ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড বিনিয়োগ করছে সরকার। তবে গত নভেম্বরে বলা হয়, পরবর্তী ৪ বছরের ওই তহবিলের কেবল ১২০ কোটি পাউন্ড খরচ করা যাবে। এতে বাকি অর্থ কবে নাগাদ পাওয়া যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

তা ছাড়া আগে যেমন যুক্তরাজ্যের প্রতিটি ঘরে গিগাবিট ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, পরে সেই লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৮৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

অফকমের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের প্রতি চার বাড়ির একটিতে এখন সেকেন্ডে এক গিগাবিট পর্যন্ত গতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ আছে।