বাংলাদেশ পুলিশ ক্লাব

পুলিশের ওপর ঝাল মেটাল রাসেল

দলের সেরা ফ্রেডরিক পুদা। তাঁকে ছাড়া মাঠে নেমে প্রতিপক্ষের মাস্তানি দেখেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

পুলিশকে কোনো সুযোগ দেয়নি শেখ রাসেল (নীল-সাদা জার্সি)।

১–০, ১–১, ২–১, ২–২, ৩–২, ৩–৩!

লিগে টানা চার ম্যাচ ড্র করল শেখ জামাল। এর আগের পাঁচটি ম্যাচেই জিতেছিল শফিকুল ইসলামের দল।

দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর কিংয়ের উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

৩ গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ শেষে জিততে না পারার আক্ষেপ

৩-০ গোলে ম্যাচে পিছিয়ে পড়েছিল। অথচ ম্যাচ শেষে সে দলের কোচের মুখেই ম্যাচ জিততে না পারার হতাশা।

৩ গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ শেষে জিততে না পারার আক্ষেপ

তিনে তিন হলো না পুলিশের

সহজ সুযোগগুলো নষ্ট করেছে পুলিশ। চলতি মৌসুমে পুলিশের খেলার অন্যতম একটি দিক হলো ভয়ডরহীন ফুটবল।

সমতায় শেষ হলো ম্যাচ।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আইভরিয়ানদের একদিন

৮ গোলের ৬টিই করেছেন বিদেশিরা। দুটি গোল এসেছে স্থানীয় ফুটবলারদের পা থেকে।

বল নিয়ে ছুটছেন রহমতএনামুল।

পুলিশকে প্রথম জয় উপহার পুডার

ম্যাচ শেষের ৯ মিনিট আগে পুডা পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত গোল। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগে পুডার এই গোলেই উত্তর বারিধারাকে হারিয়েছে পুলিশ।

গোলের সে মুহূর্ত।

পুলিশের পাহারা আটকাতে পারল না রবসনকে

রবসন ডি সিলভাকে কড়া পাহারায় রেখেছিল পুলিশের ডিফেন্ডাররা। কিন্তু আটকাতে পারেনি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে।

বাংলাদেশ পুলিশ ক্লাবের রক্ষণের পাহারা টপকে এভাবেই বারবার আক্রমণ সাজিয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের রবসন।

৪ গোলের ম্যাচে জিতল না কেউ

দুই দল মিলে গোল করেছে ৪টি। কিন্তু হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি কোনো দলই।

৪ গোলের ম্যাচে জিতল না কেউ

পুলিশকে হারাল শেখ রাসেল

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

নতুন দলের হয়ে শুরুটা দারুণ হলো সিওভুশ আশরোরোভের।

ঢাকা বরাবরই আমাকে আপন করে নিয়েছে

আবাহনীর নীল জার্সি পরে এক সময় ঢাকার ফুটবলে খেলেছেন শ্রীলঙ্কান তারকা পাকির আলী। ১১ মৌসুম কাটিয়ে দিয়েছেন এখানে। এরপর অনেকবারই কোচের ভূমিকায় এসেছে। বাংলাদেশকে তিনি সব সময় নিজের দ্বিতীয় বাড়িই মনে করেন।

ঢাকা বরাবরই আমাকে আপন করে নিয়েছে
আরও