বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডেভিস বলেন, ‘আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্মে নির্যাতন ও হয়রানি সহ্য করি না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শনাক্ত হলে আমরা পদক্ষেপ নেই। তারকাদের সঙ্গে অনলাইনে যৌন হয়রানিসহ এ ধরনের কাজে যাঁরা জড়িত, তাঁদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন এর পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।

তারকাদের পাশাপাশি সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদেরও এ সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান ডেভিস। তিনি বলেন, নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজের জন্য সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীরা অনলাইনে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আমরা কাউকে হয়রানি–নির্যাতনের ক্ষেত্রে ফেসবুককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দেব না।’

একই সঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র–সম্পর্কিত ও যেসব অ্যাকাউন্ট সংঘবদ্ধভাবে হয়রানির সঙ্গে যুক্ত কিংবা কারও কণ্ঠরোধে ব্যবহার হচ্ছে, সেসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে শুরু করেছে বলেও জানান ডেভিস। তিনি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের নীতির বিরুদ্ধে গেলে কিংবা বারবার নিয়ম ভঙ্গ করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় দুর্বলতার জন্য সম্প্রতি সমালোচিত হয়েছে ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মী ফ্রান্সিস হাউগেন ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ বেশকিছু নথি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে হইচই ফেলে দেন। ফাঁস হওয়া ফেসবুকের নিজস্ব অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইনস্টাগ্রামসহ ফেসবুকের অন্যান্য সেবা কিশোর–কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এ অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটররা উদ্বেগ জানিয়েছেন।

মার্কিন সিনেটের শুনানিতে অংশ নিয়ে হাউগেন আরও অভিযোগ করেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার তুলনায় মুনাফা অর্জনকে অগ্রাধিকার দেয়।

এমনকি দক্ষিণ এশিয়ায় ফেসবুক গ্রুপ কিংবা পেজে ব্যবহারকারীরা ‘ভীতিকর ও মুসলিমবিদ্বেষী’ কনটেন্ট ছড়াচ্ছে, এমনটা জানার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এর পেছনে ফেসবুক অ্যালগরিদমের বাংলা ও হিন্দি শব্দ বোঝার সীমাবদ্ধতার কথা জানান হাউগেন।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন